রান্নায় একফোঁটা ঝাল খেতে পারেন না, জানালেন মমতা

নদিয়ার শান্তিপুরে সোমবার জনসভায় করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সভা থেকে যেমন বিরোধী দল বিজেপিকে আক্রমণ করলেন তেমনই করলেন অতীত দিনের স্মৃতিচারণা। তাঁর কণ্ঠে শোনা গেল পুরনো দিনের লড়াইয়ের কথা। সেই স্মৃতিচারণায় বারবার ফিরে ফিরে এল ফুলিয়ার ফেলানি বসাকের নাম।

নয়ের দশকের সেই অশান্ত দিনের কথা আজও মমতার স্মৃতিতে অমলিন। তৎকালীন বাম আমলে নিজের মূক ও বধির মেয়ের লাঞ্ছনার বিচার চেয়ে মহাকরণে গিয়েছিলেন নদিয়ার ফুলিয়ার বাসিন্দা ফেলানি বসাক। তাঁর সঙ্গে ছিলেন মমতা। সেদিন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর দেখা মেলেনি। উল্টে পুলিশি হেনস্থার শিকার হতে হয়েছিল তাঁদের।

লালবাজার থেকে গভীর রাতে ছাড়া পেয়ে মেয়ো রোডে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে অবস্থানে বসেছিলেন মমতা। সম্প্রতি সেই লড়াকু বৃদ্ধা ফেলানি বসাকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার শান্তিপুরের সভায় সেই পুরনো দিনের কথা তুলে ধরেন তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেত্রী।


মঞ্চ থেকে এদিন নিজের খাদ্যাভ্যাসের কথাও জানান তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেত্রী। ১৯৯০-এ হাজরা মোড়ের সেই রক্তাক্ত হামলার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সে দিন মার খাওয়ার পর থেকে আমি রান্নায় একফোঁটা ঝাল খেতে পারি না। রাতে ঠিকমতো ঘুমোতে পারি না। মমতা আরও জানান,  দীর্ঘ এবং একটানা নির্বাচনী সফরে হোটেলের খাবার তিনি এড়িয়ে চলেন। পরিবরর্তে তিনি চিঁড়ে-মুড়ি খান। বড়জোর একটা ডিমসিদ্ধ। তবে সকালে তাঁর অবশ্যই চাই এক কাপ চা ।