মাঝরাতে বালাসন নদীতে গাড়ি নিয়ে চার যুবক-যুবতী, স্থানীয় যুবকের তৎপরতায় রক্ষা পেল প্রাণ

Image: Screengrab

প্রাণে রক্ষা পেলেন চার যুবক-যুবতী। বালাসন নদীতে রাতের অন্ধকারে গাড়ি নিয়ে নেমেছিলেন তাঁরা। জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় মাঝ নদীতে আটকে পড়ে গাড়ি। অবশেষে স্থানীয় এক যুবকের সাহায্যে গাড়ি-সহ চার যুবক-যুবতীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

টানা বৃষ্টির জেরে পাহাড়ের একাধিক নদীর জলস্তর বেড়ে গিয়েছে।  মঙ্গলবার গভীর রাতে দুধিয়ার বালাসন নদীতে একটি গাড়ি নিয়ে নেমে পড়েন দুই যুবক ও দুই যুবতী। নদীতে আচমকা জল বাড়তে শুরু করলে গাড়িটি  আটকে যায়। স্থানীয় এক যুবকের সাহসিকতা ও তৎপরতায় চার আরোহীকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার রাতে ওই চারজন যুবক-যুবতী গাড়ি নিয়ে বালাসন নদীর ধারে ঘোরাফেরা করছিলেন। এক সময় গাড়িসহ নদীর বুকে নেমে পড়েন। কিন্তু নদীর পাথরে গাড়িটি আটকে যায়। এরই মধ্যে জল আচমকা বেড়ে যায়। চার আরোহী প্রাণ বাঁচাতে গাড়ির ছাদে উঠে পড়েন।


এ সময় স্থানীয় এক কোনও ঝুঁকির কথা না ভেবেই উদ্ধারকাজে নেমে পড়েন। দড়ির সাহায্যে একে একে আটকে পড়া চার জনকে উদ্ধার করেন এবং নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেন।

উল্লেখ্য, আবহাওয়া দপ্তর পূর্বাভাস অনুযায়ী, পাহাড় ও সমতল জুড়ে দফায় দফায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হবে। এর ফলে তিস্তা, তোর্সা, মহানন্দা, রায়ডাক, জলঢাকা এবং বালাসনের মতো নদীগুলি জল বেড়ে ফুঁসছে। স্থানীয়দের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনা হয়েছে।

অন্যদিকে, ভূমিধসের জেরে জাতীয় সড়ক ১০-এর ২০ মাইল এলাকায় ধস নেমেছে। যান চলাচল স্বাভাবিক করা কাজ চালাচ্ছে প্রশাসন। কালিম্পং ও সিকিমমূখী সড়কের বিভিন্ন অংশেও পাহাড় থেকে বড় বড় পাথর গড়িয়ে পড়ছে। এমন প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও গভীর রাতে কেন ওই চার যুবক-যুবতী গাড়ি নিয়ে বালাসনে নামল, তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।