তারাতলার উদ্ধার কাজ নিয়ে এবারে মুখ খুললেন রাজ্যের মন্ত্রী ডাঃ ইন্দ্রনীল খাঁ। গতকাল দুপুরের পর থেকে তারাতলায় কিছু সময়ের জন্য বন্ধ ছিল উদ্ধারকাজ। বৃষ্টি থামার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়েছিল কাজ। সাংবাদিকদের সামনে রাজ্যের মন্ত্রী ডঃ খাঁ জানান উদ্ধারকাজে বিপুল পরিমাণ অত্যাধুনিক যন্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে।
সেই সঙ্গে আরও বলেন সেখানে বিশেষ ড্রোন সহ একাধিক সেন্সর যুক্ত যন্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। ভাঙা লোহার শেডের নিচে কোনোরকম প্রাণ যাতে আটকে না থাকে সেদিকে বেশি নজর দেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন। কলকাতা পুলিশ, দমকল, সেনা, এনডিআরএফ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে। সেই সঙ্গে শুরু হয়ে গিয়েছে ঘটনার তদন্ত। প্রাথমিক ভাবে উঠে আসছে গুদামের নকশাতেই একাধিক ত্রুটি ছিল। এদিকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত তারাতলার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫। ভারী লোহার বিম সরাতে রেলের সাহায্যে অক্সি-কাটার ও হাইড্রোলিক ক্রেন ব্যবহার করা হচ্ছে। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে যাতে কোনোরকম সমস্যা না হয় সেই কারণে করা হচ্ছি গ্রিন করিডরও।
<iframe src=”https://www.facebook.com/plugins/video.php?height=476&href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Freel%2F1730178508171362%2F&show_text=false&width=267&t=0″ width=”267″ height=”476″ style=”border:none;overflow:hidden” scrolling=”no” frameborder=”0″ allowfullscreen=”true” allow=”autoplay; clipboard-write; encrypted-media; picture-in-picture; web-share” allowFullScreen=”true”></iframe>
পুরো ঘটনার দিকে নজর রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। আর এই ঘটনার পরেই আপাতত কলকাতা, বিধাননগর, বরানগর, কামারহাটি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকায় নির্মীয়মাণ বহুতলের স্বাস্থ্যপরীক্ষায় নজর দিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। অডিট কমিটির স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য আপাতত ১ মাস জি+৫ নির্মাণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী কড়া বার্তা দেন, ‘তারাতলায় প্ল্যান থাকলেও নজরদারি ছিল না। গার্ডেনরিচে তো প্ল্যানই ছিল না। একের পর এক দুর্ঘটনা এড়াতেই এবার কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তারাতলার গোডাউনের আর্কিটেক্ট ও ডিজাইনারকে ব্ল্যাক লিস্ট করা হলো। এরপরে এমন অভিযোগ এলে এভাবেই ব্ল্যাক লিস্ট করা হবে।’ তবে এই ঘটনায় এই মুহূর্তে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই বিল্ডিংয়ের প্ল্যানে যে প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম অনুমোদন দিয়েছিলেন সেই বিষয়টিও সামনে এসেছে। এখন দেখার তদন্তের প্রয়োজনে তাঁকেও জেরা করা হয় কি না। তবে আহতদের পরিবারের পাশে প্রশাসন থাকবে, সেই আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে। এলাকায় রয়েছে কলকাতা পুলিশের সকল দফতর। এমনকি রয়েছে ডগ স্কোয়াডও। পাশাপাশি রয়েছে হোমিসাইডের অফিসারেরাও।