নোনাডাঙা বস্তির পুড়ে যাওয়া ঘর নতুন করে গড়ে দেবে কলকাতা পুরসভা

 ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বুধবার সন্ধ্যায় আনন্দপুরের নোনাডাঙা বস্তির একাংশ সম্পূর্ণভাবে ভস্মীভূত হয়ে যায়। জানা গিয়েছে, ওই বস্তিতে মোট প্রায় ১০০টি ঝুপড়ি ঘর ছিল। তার মধ্যে ৫০টিরও বেশি ঘর আগুনে পুড়ে ছারখার হয়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় বহু পরিবার সর্বস্ব হারান। যদিও এই ঘটনায় কোনও প্রাণহানির খবর নেই।

ঘটনার পর দমকলের একাধিক ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়ায়। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুরসভা। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট ৫৩টি ঝুপড়ি ঘর নতুন করে নির্মাণ করে দেওয়া হবে। এই কাজের তদারকিতে রয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী জাভেদ খান, স্থানীয় ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা ১২ নম্বর বরোর চেয়ারম্যান সুশান্তকুমার ঘোষ।

অগ্নিকাণ্ডে ঘর হারানো পরিবারগুলির জন্য আপাতত নিকটবর্তী চিনা মন্দিরের একটি কমিউনিটি হলে অস্থায়ী থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে খাবার, পানীয় জল ও প্রাথমিক প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ফরেন্সিক দল ঘটনাস্থলে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করেছে। রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই আগুন লাগার সঠিক কারণ জানা যাবে। বরো চেয়ারম্যান সুশান্তকুমার ঘোষ জানিয়েছেন, সব প্রক্রিয়া শেষ করে আগামী সপ্তাহ থেকেই নতুন ঘর তৈরির কাজ শুরু করা হবে, যাতে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন ক্ষতিগ্রস্ত বস্তিবাসীরা।