নির্বাচন কমিশনকে কাজে লাগিয়ে সাইলেন্ট রিগিং করছে বিজেপি। রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরুর পর এই অভিযোগ করেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংদল কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষও একই অভিযোগে সরব হয়েছিলেন। কল্যাণের দাবি, ২০২৫ সালের ভোটার তালিকা অনুযায়ী বুথের সংখ্যা বাড়লে সেই ভোটার তালিকাকেই মান্যতা দিতে হবেষ
এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সিম্পল ও সাইলেন্ট রিগিং হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন কল্যাণ। তাঁর আরও অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের সাহায্যে বিজেপি এই কাজ করছে। কোনও রকমের অসাংবিধানিক কথা বললে হবে না। ২০২৫ সালের ভোটার লিস্ট দেখে বুথ বাড়ানো হচ্ছে। অন্যদিকে ভোটারদের মান্যতা দেওয়া হচ্ছে না। এই নিয়ে ‘দ্বিচারিতা’ হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তিনি। কল্যাণের পাশাপাশি কুণাল ঘোষও সাইলেন্ট রিগিংয়ের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন। তাঁর প্রশ্ন ছিল, বিজেপি কীভাবে বলছে ভোটার তালিকা থেকে কত লোক বাদ যাবে? এসআইআর–কে সম্পূর্ণ ‘পরিকল্পিত চক্রান্ত’ বলে দাবি করেছিলেন কুণাল। এই চক্রান্ত বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে বসে করা হয়েছে। সেই চক্রান্তের ফল নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে উঠছে। ২০০২ সালের ভোটার তালিকা নিয়েও কারচুপি করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন কুণাল।
যদিও এ প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের মাধ্যমে যাঁরা বাংলাকে সাইলেন্ট সেলিং করছেন, তাঁদের মুখে এসব মানায় না। এই কাজ আটকাতে বিজেপি শেষ পর্যন্ত লড়াই করবে। কারণ বিজেপির কাছে দেশ আগে, রাজ্যবাসী আগে।