মিথ্যার উপর দাঁড়িয়ে মমতার রাজনীতি, উনি বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট করেছেন: নাড্ডা

বিধানসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই চড়ছে রাজনৈতিক তরজা। এ বার সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করলেন বিজেপির শীর্ষ নেতা জে পি নাড্ডা। তাঁর অভিযোগ, ‘মিথ্যার উপর দাঁড়িয়ে মমতার রাজনৈতিক জীবন গড়ে উঠেছে’ এবং তাঁর শাসনেই বাংলার সংস্কৃতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

শনিবার জলপাইগুড়িতে নির্বাচনী প্রচারে এসে নাড্ডা বলেন, রাজ্যের মানুষের মধ্যে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে। তাঁর দাবি, তৃণমূল সরকার তোষণনীতি ও অত্যাচারের রাজনীতি চালাচ্ছে, যার ফলে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ এখন প্রকাশ্যে আসছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরো রাজনৈতিক জীবনটাই মিথ্যার উপর দাঁড়িয়ে। তিনি বুঝতেই পারছেন না, তাঁর কাজের ফলে বাংলার সংস্কৃতির কতটা ক্ষতি হয়েছে।’


একই সঙ্গে বাংলার ঐতিহ্য ও ইতিহাসের কথা তুলে ধরেন নাড্ডা। তিনি বলেন, এই মাটিতেই জন্ম নিয়েছেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, স্বামী বিবেকানন্দ ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতো মনীষীরা। তাঁদের চিন্তাভাবনা ও কাজ এক সময় গোটা দেশের দিশা দেখিয়েছে।

নাড্ডার কথায়, ‘এক সময় বলা হত, বাংলা আজ যা ভাবে, দেশ কাল তা ভাবে। কিন্তু সেই ঐতিহ্য আজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।’ তাঁর অভিযোগ, তোষণ ও দুর্নীতির মাধ্যমে রাজ্য পরিচালনা করায় সেই গৌরব আর নেই।

রাজ্যে নারীদের উপর অত্যাচার বেড়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, সীমান্ত পারাপার করে অনুপ্রবেশকারীদের অবাধে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে জনসংখ্যার ভারসাম্যও বদলাচ্ছে।

তৃণমূলের বিরুদ্ধে আরও কড়া সুরে নাড্ডা বলেন, ‘রাষ্ট্রবিরোধী শক্তিকে প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে, যা শুধু বাংলার জন্য নয়, গোটা দেশের জন্য বিপজ্জনক।’

এর পাশাপাশি তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, রাজ্যে বিজেপির সরকার গঠিত হলে একাধিক নতুন নীতি কার্যকর করা হবে। তাঁর দাবি, মানুষ এখন পরিবর্তন চায় এবং ‘দ্বৈত ইঞ্জিন’ সরকার গড়ার পক্ষে মত দিচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটের আগে এই ধরনের তীব্র বক্তব্য নির্বাচনী লড়াইকে আরও তাতিয়ে তুলছে। এখন দেখার, ভোটের ময়দানে এই আক্রমণ কতটা প্রভাব ফেলে।‘র সংস্কৃতি নষ্ট করেছেন’— জলপাইগুড়িতে নাড্ডার তোপ

জলপাইগুড়ি, ১৯ এপ্রিল— বিধানসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই চড়ছে রাজনৈতিক তরজা। এ বার সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করলেন বিজেপির শীর্ষ নেতা জে পি নাড্ডা। তাঁর অভিযোগ, ‘মিথ্যার উপর দাঁড়িয়ে মমতার রাজনৈতিক জীবন গড়ে উঠেছে’ এবং তাঁর শাসনেই বাংলার সংস্কৃতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

শনিবার জলপাইগুড়িতে নির্বাচনী প্রচারে এসে নাড্ডা বলেন, রাজ্যের মানুষের মধ্যে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে। তাঁর দাবি, তৃণমূল সরকার তোষণনীতি ও অত্যাচারের রাজনীতি চালাচ্ছে, যার ফলে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ এখন প্রকাশ্যে আসছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরো রাজনৈতিক জীবনটাই মিথ্যার উপর দাঁড়িয়ে। তিনি বুঝতেই পারছেন না, তাঁর কাজের ফলে বাংলার সংস্কৃতির কতটা ক্ষতি হয়েছে।’

একই সঙ্গে বাংলার ঐতিহ্য ও ইতিহাসের কথা তুলে ধরেন নাড্ডা। তিনি বলেন, এই মাটিতেই জন্ম নিয়েছেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, স্বামী বিবেকানন্দ ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতো মনীষীরা। তাঁদের চিন্তাভাবনা ও কাজ এক সময় গোটা দেশের দিশা দেখিয়েছে।

নাড্ডার কথায়, ‘এক সময় বলা হত, বাংলা আজ যা ভাবে, দেশ কাল তা ভাবে। কিন্তু সেই ঐতিহ্য আজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।’ তাঁর অভিযোগ, তোষণ ও দুর্নীতির মাধ্যমে রাজ্য পরিচালনা করায় সেই গৌরব আর নেই।

রাজ্যে নারীদের উপর অত্যাচার বেড়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, সীমান্ত পারাপার করে অনুপ্রবেশকারীদের অবাধে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে জনসংখ্যার ভারসাম্যও বদলাচ্ছে।

তৃণমূলের বিরুদ্ধে আরও কড়া সুরে নাড্ডা বলেন, ‘রাষ্ট্রবিরোধী শক্তিকে প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে, যা শুধু বাংলার জন্য নয়, গোটা দেশের জন্য বিপজ্জনক।’

এর পাশাপাশি তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, রাজ্যে বিজেপির সরকার গঠিত হলে একাধিক নতুন নীতি কার্যকর করা হবে। তাঁর দাবি, মানুষ এখন পরিবর্তন চায় এবং ‘দ্বৈত ইঞ্জিন’ সরকার গড়ার পক্ষে মত দিচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটের আগে এই ধরনের তীব্র বক্তব্য নির্বাচনী লড়াইকে আরও তাতিয়ে তুলছে। এখন দেখার, ভোটের ময়দানে এই আক্রমণ কতটা প্রভাব ফেলে।