এসআইআর শুনানিতে ডাক পেয়ে রবিবার যাদবপুর কাটজুনগর স্বর্ণময়ী বিদ্যালয়ে হাজিরা দিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। গোটা ঘটনায় বিরক্তি প্রকাশ করেছেন তিনি। চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য বলেছেন, ‘দুর্ভাগ্যজনক।এত লোককে ডাকা হচ্ছে, এর কোনও মানে আছে?’ গত ২৭ অক্টোবর বাংলা সহ ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে শুরু হয় এসআইআর প্রক্রিয়া।
নির্ধারিত দিনে খসড়া তালিকা প্রকাশের পর এখন চলছে শুনানি। বহু মানুষ শুনানিতে ডাক পেয়েছেন। সামান্য নামের বানান ভুলেও শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। এসআইআরের নামে সাধারণ মানুষকে হেনস্থা করার অভিযোগে সরব হয়েছে তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এসআইআর নিয়ে একাধিকবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও দিয়েছেন।
এসআইআরে নামী-দামী মানুষ থেকে সাধারণ মানুষ ডাক পেয়েছেন। অসুস্থ অবস্থায় প্রবীণদের শুনানির লাইনে দেখা গিয়েছে। তার মধ্যেই এবার শুনানিতে ডাক পেয়েছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তথা উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। রবিবার যাদবপুরের কাটজুনগর স্বর্ণময়ী বিদ্যালয়ে হাজিরা দেন তিনি। গোটা ঘটনায় ক্ষুব্ধ উপাচার্য।
১৯৮৩ সালে লেকটাউনের একটি স্কুল থেকে মাধ্যমিক পাশ করেছেন চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। তাঁর থেকে ২ বছরের জুনিয়র ছিলেন বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা। পরবর্তীকালে সেখানে দীর্ঘদিন অধ্যাপনা করেছেন। বর্তমানে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে রয়েছেন তিনি। উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতিও তিনি।
কলকাতা পুরসভার ৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের যাদবপুর ২১ এ নর্থ রোডে থাকেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। কলকাতার বুকে লেখাপড়া এবং বেড়ে ওঠা। এসআইআর শুনানিতে ডাক পেয়ে হতাশ চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, আগামী ১৪ জানুয়ারি কাটজুনগর স্বর্ণময়ী স্কুলে শুনানিতে হাজিরা দেবেন সাংসদ দেব ও ২০ জানুয়ারি যাবেন ক্রিকেটার মহম্মদ শামি।