‘নেপালে ধ্বংসলীলা দেখে আমি…’ সাধারণ মানুষকে পাশে থাকার বার্তা মমতার

Photo: সাধারণ মানুষকে পাশে থাকার বার্তা মমতার (AI)

ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে নেপাল। হড়পা বানে নেপালে হু হু করে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। বিবিসি সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩২ জন। নেপালে প্রাণহানি ও ক্ষয়তির ঘটনায় গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নেপালের দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে এক্স হ্যান্ডলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি পোস্ট করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘নেপালে হড়পা বানে এরকম ধ্বংসলীলা দেখে আমি গভীরভাবে শোকাহত। আমি শোকাহত পরিবারগুলিকে আন্তরিক সমবেদনা জানাই। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করি। যাঁরা এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন, তাঁরা যাতে দ্রুত নিরাপদে ঘরে ফিরে আসেন।’

মমতা আরও লিখেছেন, ‘নেপালের বিপুল সংখ্যক ঘরবাড়ি, জনপদ ও পরিকাঠামোর এই ধ্বংসলীলা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমি নেপালের মানুষের পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করছি। যে সমস্ত উদ্ধারকারী দল ও ত্রাণকর্মীরা প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও নিজেদের জীবন বাজি রেখে কাজ করে যাচ্ছেন, তাঁদের প্রশংসা জানাই।’


<blockquote class=”twitter-tweet”><p lang=”en” dir=”ltr”>Deeply saddened by the tragic flash floods in Nepal.<br><br>I extend my heartfelt condolences to the bereaved families.<br>Wishing a speedy recovery to the injured and hoping for the safe return of all those who remain missing, while rescue efforts continue to reach those who are…</p>&mdash; Mamata Banerjee (@MamataOfficial) <a href=”https://x.com/MamataOfficial/status/2092901428306358333?ref_src=twsrc%5Etfw”>August 27, 2026</a></blockquote> <script async src=”https://platform.x.com/widgets.js” charset=”utf-8″></script>

প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, নেপাল-তিব্বত সীমান্তের কাছে রাসুওয়াগাধি এলাকায় তুষারধসের জেরে ভোটেকোশি নদীর শাখা লহেন্দে নদীর জলপ্রবাহ আটকে যায়। পরে সেই জল হঠাৎ নেমে এসে তিমুরে-সহ তিনটি জেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। বহু ঘরবাড়ি, সড়ক ও অন্যান্য পরিকাঠামো ভেসে যায়।

বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, নেপাল সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে নিখোঁজ ভারতীয়দের সন্ধান এবং দুর্গত এলাকায় আটকে থাকা নাগরকিদের উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তবে বিপর্যয়ের জেরে সংশ্লিষ্ট এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হওয়ায় উদ্ধারকাজে সমস্যা হচ্ছে।

নেপালের বিদেশমন্ত্রী বলেন, ‘বিপর্যয়ের আসল ছবি এখনও স্পষ্ট নয়। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় নিখোঁজদের সঠিক সংখ্যা জানাও কঠিন হয়ে উঠেছে। উদ্ধারকারী দলগুলি এখনও বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছনোর চেষ্টা করছে।’

আরও পড়ুন: ভয়াবহ হড়পা বানে নিখোঁজ ৩০০-র বেশি ভারতীয়, কী জানাচ্ছেন নেপালের বিদেশমন্ত্রী?

নেপালে বেড়াতে যাওয়া পশ্চিমবঙ্গের একাধিক পর্যটকের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। বিদেশ মন্ত্রকের তালিকায় থাকা ২৮৮ জনের মধ্যে রয়েছেন কৈলাস-মালস সরোবর যাত্রায় যাওয়া তীর্থযাত্রী, বিভিন্ন রাজ্যের পর্যটক এবং ত্রিশুলি-১ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে কর্মরত ভারতীয়রা। কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রা বা সেখানে ভ্রমণে গিয়ে যাঁরা নিখোঁজ হয়েছেন, তাঁদের দ্রুত খুঁজে বের করতে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকেও নেপাল প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।