স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে চলল গুলি, সোনা-নগদ টাকা নিয়ে চম্পট ছিনতাইবাজরা

Gold Businessman Photo-SNS

রাতের অন্ধকারে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে ঘিরে ধরল ছিনতাইবাজদের দল। তাঁর সর্বস্ব ছিনতাই করে নিয়ে চম্পট দিল তারা বলে অভিযোগ। শিলিগুড়ির শান্তিনগরের পঞ্চানন রোড এলাকায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছড়িয়ে পড়েছে ব্যাপক আলোড়ন। দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন উত্তম সরকার। তিনি পেশায় স্বর্ণ ব্যবসায়ী। তাঁর কাছ থেকে সোনা এবং নগদ টাকা ভর্তি ব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চার ছিনতাইবাজের বিরুদ্ধে। বাধা দিতে গেলে তাঁকে মারধর এবং হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ। আর পালানোর সময় তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগও উঠেছে।

স্বর্ণ ব্যবসায়ীর বয়ান অনুযায়ী, বন্দুক হাতে মোটরবাইকে করে এসে ছিনতাই করে পালায় চারজন ছিনতাইবাজ। ড্রেনে ফেলে মারধর করা হয় স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে। তারপর সোনা এবং টাকা ভর্তি ব্যাগ ছিনতাই করে চম্পট দেয় ছিনতাইবাজরা। মোটরবাইকে চেপে পালানোর সময় স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলিও চালানো হয়। কিন্তু অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান তিনি। এই ঘটনার পর সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।  শিলিগুড়ির শান্তিনগরের পঞ্চানন রোড এলাকায় এখন এটাই চর্চিত বিষয়। স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়। আর তাঁর কাছে থাকা ব্যাগটি ছিনিয়ে নেয় ছিনতাইবাজরা। ব্যাগ ছিনতাইয়ের প্রতিবাদ করলে তাঁকে ড্রেনে ফেলে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। আচমকা এই হামলায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ওই স্বর্ণ ব্যবসায়ী।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সাহায্য নিয়ে ছিনতাইবাজদের ধাওয়া করেন তিনি। কিন্তু মোটরবাইক নিয়ে পালানোর সময় উত্তমবাবুকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় তারা। অল্পের জন্য গুলি তাঁর গায়ে লাগেনি। ওই স্বর্ণ ব্যবসায়ীর দাবি, ছিনতাই হওয়া ব্যাগে প্রায় ২০০ গ্রাম সোনা এবং নগদ দেড় থেকে দু’লক্ষ টাকা ছিল। সব মিলিয়ে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি হাতছাড়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় আশিঘর ফাঁড়ির পুলিশ। কেমন করে এই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটল এবং কারা এসবের সঙ্গে জড়িত সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ছিনতাইবাজদের শনাক্ত করতে এলাকার একাধিক সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করছেন তদন্তকারীরা।


তাছাড়া এই ঘটনার পর উত্তমবাবু জানান, তাঁর ব্যাগে প্রায় ২০০ গ্রাম সোনা এবং নগদ দেড় থেকে দু’লক্ষ টাকা ছিল। এই ঘটনার পর থেকেই এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়। শান্তিনগরের মতো এলাকায় এমন সশস্ত্র ছিনতাইয়ের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।