ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দপ্তরের সামনে থেকে তুলে নেওয়া হল পুলিশি প্রহরা। শেক্সপিয়র সরণি থানার অধীন ওই এলাকায় মঙ্গলবার দুপুরের দিকে আচমকাই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।
একই দিনে সকালে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন দেখা যায় কালীঘাট এলাকায়। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির গলির মুখে বসানো ‘সিজ়ারস ব্যারিকেড’ সরিয়ে দেয় পুলিশ। এতদিন ওই এলাকায় প্রবেশে ছিল কড়া বিধিনিষেধ। যাতায়াতের সময় পরিচয় যাচাই থেকে শুরু করে কোথায় যাচ্ছেন, কার সঙ্গে দেখা করবেন, সবই জানতে চাইতেন কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা। এমনকি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও বাইরে বেরোতে গেলে সঙ্গে রাখতে হত আধার কার্ড। সোমবার রাত পর্যন্ত এই কড়াকড়ি বজায় থাকলেও মঙ্গলবার সকাল থেকে কালীঘাট থানার অন্তর্গত এলাকায় সম্পূর্ণ ভিন্ন ছবি ধরা পড়ে।
তৃণমূল সরকারের আমলে ক্যামাক স্ট্রিট ছিল কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে। এমনকি সেই সময় গ্রুপ ডি চাকরিপ্রার্থীদের মিছিল করার অনুমতিও মেলেনি কলকাতা পুলিশের তরফে। পরে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে সেই মিছিল হয়। ফলে হঠাৎ এই নিরাপত্তা প্রত্যাহার ঘিরে বিভিন্ন মহলে শুরু হয়েছে জল্পনা।