জোড়া ফুলে ফুটল মুকুল

মুকুল রায় (Photo:SNS)

একনজরে

২০১৭ সালে ৩ নভেম্বর বিজেপিতে যােগ দেন মুকুল।

২০১৫ সালে মুকুলের সঙ্গে তৃণমূলের দূরত্ব তৈরি।


কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি এবং বিজেপি নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে বৈঠক করায় মুকুলকে ৬ বছরের জন্য সাসপেন্ড করে তৃণমূল।

বিজেপিতে যােগ দেওয়ার আগে ২০১৭ সালের ১১ অক্টোবর রাজ্যসভার সদস্যপদ ছাড়েন মুকুল।

২০১৮ সালে পঞ্চায়েত ও ২০১৯ সালে লােকসভা ভােটে বিজেপির হয়ে বড়সড় ভূমিকা পালন করেন মুকুল রায়, কিন্তু তবুও তাকে কোনও পদ দেয়নি বিজেপি।

বঙ্গবিজেপির কার্যালয়ে মুকুলের জন্য বরাদ্দ ছিল ছােট্ট একটি ঘর।

২০২০ সালে ২৬ সেপ্টেম্বর বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি করা হয় মুকুলকে।

অনেককে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে নিয়ে এসেছেন মুকুল। তাদের কেউ কেউ সাংসদ হয়েছেন। কিন্তু মুকুল বিজেপি থেকে কিছুই পাননি।

গেরুয়া শিবিরে তারকার ঢল দেখা গিয়েছিল। তার পিছনেও ছিল মুকুলের মস্তিষ্ক। কিন্তু ২০২০ সালের ১৯ ডিসেম্বর শুভেন্দু বিজেপিতে যােগ দেওয়ার পর অনেকটা পিছনের সারিতে চলে যান মুকুল রায়। রাজ্য বিজেপি নেতাদের একাংশের চরম বিরােধিতা ছিল মুকুলের প্রতি।

যেদিন চার্টার্ড বিমানে করে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় সহ আরও বেশ কয়েকজন দিল্লিতে গিয়ে অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেছিলেন, সেদিনও মুকুল রায় ছিলেন মধ্যমণি।

২০১৯-এ লােকসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে বিজেপির ১৮ টি আসন পাওয়ার ক্ষেত্রে মুকুল রায়ের অবদান আছে। প্রকাশ্য মঞ্চে স্বীকার করেছিলেন অমিত শাহ।

কিন্তু সেই মুকুল রায়কে বিধানসভা নির্বাচনে খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি বিজেপি। তাকে কৃষ্ণনগর উত্তরে প্রার্থী করে দেয়।

নির্বাচনে মুকুল জয়ী হলেও, তার মুখে কোনও হাসি ছিল না। কারণ একজন বিধায়ক হওয়াটা মুকুলের কখনও লক্ষ্য ছিল না। সেই সঙ্গে ছেলে শুভ্রাংশুর হার। তিনি মন থেকে মেনে নিতে পারেননি। ভােট হয়ে যাওয়ার পর তার স্ত্রী করােনা আক্রান্ত হন। মুকুলেরও করােনা হয়েছিল। এখনও মুকুল রায়ের স্ত্রী কৃষ্ণদেবী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। কিন্তু বিজেপির কেউ তার সঙ্গে যােগাযােগও রাখেননি, খোঁজ খবরও নেননি। একমাত্র শুভেন্দু অধিকারী ও দিব্যেন্দু অধিকারী তাকে ফোন করেছিলেন। কিন্তু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় হাসপাতালে গিয়ে মুকুল রায়ের স্ত্রীর খোঁজখবর নিতেই দিলীপ ঘােষও হাজির হন সেখানে। এরপর পরেরদিনই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মােদি ফোন করেন মুকুল রায়কে।

• ২০২১-এর ১১ জুন তৃণমূল ভবনে মুকুল।