ইডির রাডারে শান্তনু ঘনিষ্ঠরা, তিন পুলিশ কর্তাকে তলব

ইডির রাডারে প্রাক্তন পুলিশকর্তা শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের ঘনিষ্ঠরা। জানা গিয়েছে, শান্তনু সিনহা বিশ্বাস ঘনিষ্ঠ তিন পুলিশ কর্তাকে তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই মতো আজ, বুধবার নুরুল আমিন ইডি দপ্তরে হাজিরা দিয়েছেন। অন্যদিকে একই মামলায় ধৃত সোনা পাপ্পুর পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্যকেও ইডি তলব করেছে।

জমি দখল-সহ একাধিক অভিযোগের তদন্তে ইডি। মামলার তদন্তে বালিগঞ্জ সোনা পাপ্পুর নামে তোলাবাজি-সহ একাধিক ধারায় অভিযোগ রয়েছে। সঙ্গে রয়েছে অস্ত্র আইন মামলা। গ্রেপ্তার হয়েছেন বেহালার ব্যবসায়ী জয় কামদার। তাঁকে জেরার পরই কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডিসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাস কে গ্রেপ্তার করে ইডি। তদন্তকারীরা মনে করছেন, শুধু শান্তনুই নয়, তাঁর ঘনিষ্ঠ একাধিক পুলিশকর্তার কাছেও বিভিন্ন আর্থিক সুবিধা পৌঁছে গিয়েছে। আরও নিশ্চিত হতেই প্রাক্তন পুলিশকর্তার ঘনিষ্ঠ তিন পুলিশকর্তাকে তলব করেছে ইডি।

তদন্তকারীদের দাবি, সোনা পাপ্পু ও জয় কামদারকে বিভিন্ন সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে শান্তনু সিনহরা বিশ্বাসের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিবুর অর্থ জমা পড়েছিল। ইডি মনে করছে, এই আর্থিক সুবিধার অংশ বিশেষি আরও কয়েকজন পুলিশ আধিকারিকের কাছেও পৌঁছেছিল। সেই সন্দেহ থেকেই শান্তনুর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত তিন পুলিশকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে।


এদিকে একই মা্মলায় সোনা পাপ্পুল স্ত্রী ও পরিবারের কয়েকজন সদস্যকেও তলব করেছে ইডি। তদন্তে জানা গিয়েছে, সোনা পাপ্পুর বাড়িতে তল্লাশির সময় একটি ৭ এমএম পিস্তল উদ্ধার হয়েছিল, যা তাঁর স্ত্রীর নামে কেনা হয়েছিল বলে অভিযোগ।

তদন্তকারীদের দাবি, অস্ত্রটি বিক্রি করেছিল জয় কামদারের সংস্থা। পাশাপাশি সোনা পাপ্পু ও জচয় কামদারের প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কোটি কোটি টাকার আর্থিক লেনদেনের তথ্যও মিলেছে। সেই লেনদেনের উদ্দেশে এবং আগ্নেয়াস্ত্র কেনার কারণ জানতে পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদজ করা জরুরি বলে মনে করছে ইডি। তদন্তকারীদের ধারণা, এই জেরাতেই মামলার আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।