মাঝে আর একটা দিন। তারপরই দুর্গাপুজোয় মেতে উঠবে রাজ্যের মানুষজন। আর মহাষষ্ঠীর দিন থেকেই মানুষের রাত জেগে ঠাকুর দেখা শুরু হয়ে যাবে। মেট্রো যেমন রাত পর্যন্ত চলবে তেমন লোকাল ট্রেনও চলবে বেশি রাত পর্যন্ত। এই আবহে দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে বজবজ শাখার নিত্যযাত্রীদের জন্য সুখবর দিল রেল। শিয়ালদহ-কোমাগাতামারু বজবজ শাখায় আপ এবং ডাউনে রাতের দিকে শেষ ট্রেন হিসাবে একজোড়া নতুন ট্রেন চালুর কথা ঘোষণা করা হযেছে। সোমবার থেকে তা শুরুও হয়ে গেল।
শিয়ালদহ থেকে রাত ১০টা ৫৫ মিনিটে ছাড়ছে। বজবজ গিয়ে পৌঁছচ্ছে রাত ১১টা ৪৩ মিনিটে। আবার বজবজ থেকে ছাড়ছে ১১টা ৫৪ মিনিটে। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই নতুন একজোড়া ট্রেন চালু থাকবে বলে পূর্ব রেল কর্তৃপক্ষ সূত্রে খবর। পূর্ব রেল কর্তৃপক্ষ আরও ঘোষণা করেছে যে, উল্লেখ করা সময়ের ভিতর শেষরাতের এই নতুন ট্রেনে যাত্রীসমাগম বাড়লে আগামী দিনে সেটা বহাল থাকবে। না হলে তা তুলে নেওয়া হবে।
দুর্গাপুজোর সময় বহু যাত্রীই রাতে সফর করবেন বলেই আশা করা হচ্ছে। কারণ সেখান থেকে কলকাতা এসে ঠাকুর দেখার চল আছে। প্যান্ডেল হপিং করতে অনেকেই আসবেন। তাঁদের জন্য এই পরিষেবা নিঃসন্দেহে সুবিধাজনক হবে। এই বিষয়ে এদিন শিয়ালদহ-বজবজ শাখার রেলযাত্রী সমিতির সদস্য সুজয় দাস বলেন, ‘করোনাভাইরাস যখন চলছিল তার আগে শিয়ালদহ বজবজ শাখায় রাতের এই শেষ ট্রেনটি চালু ছিল। কিন্তু করোনাকালের পর সেটা তুলে দেওয়া হয়েছিল। এই নিয়ে নিত্যয্ত্রীরা গণস্বাক্ষর করে পূর্ব রেল কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দিয়ে আবার এটি চালুর দাবি করেছিলেন। দীর্ঘ সময় পর আবার রাতের শেষ ট্রেনটি দুর্গাপুজোর আগে চালু হওয়ায় খুশি নিত্যযাত্রীরা।’
অন্যদিকে, রাতে বজবজ থানার পক্ষ থেকে পুজো কমিটি পিছু সরকারি অনুদানের এক লাখ টাকার চেক তুলে দেয়। ১২৬টি কমিটি এই টাকা পেয়েছে। নোদাখালি থানা ১৬৪টি পুজো কমিটির হাতে দুর্গাপুজোর অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়। মহেশতলা থানা থেকে দেওয়া হয়েছে ২৫২টি দুর্গাপুজো কমিটিকে। পুজালি থানা ২৭টি দুর্গাপুজো কমিটির হাতে অনুদানের চেক তুলে দিয়েছে। ১৯৬টি দুর্গাপুজো কমিটিকে চেক দেওয়া হয়েছে ফলতা থানা এলাকায়। স্থানীয় পাঁচটি থানা থেকে ৭৬৫টি দুর্গাপুজো কমিটিকে অনুদান দেওয়া হয়েছে।