তৃণমূলকে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে তুলনা করে এই দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণার দাবি তুললেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল হতেই আমূল বদলে গিয়েছে পরিস্থিতি। ক্ষমতায় থাকাকালীন তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলেও তা নিয়ে কোনও হেলদোল ছিল না পুলিশ ও প্রশাসনের। কিন্তু নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পরই পরিস্থিতি পাল্টে গিয়েছে। এবার তৃণমূলকে কড়া ভাষায় বিঁধলেন বিজেপি নেতা তথা মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে দুর্নীতিগ্রস্ত এই দলের থেকে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। তাদের একের পর এক কেলেঙ্কারির ঘটনায় মানুষ তিতিবিরক্ত। তাই এই দলটাকে নিষিদ্ধ করা উচিত।’
বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নির্বাচনে রেজোলিউশনে সইয়ের ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন দিলীপ। সই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তৃণমূল দলটা যেন জালিয়াতির কারখানা। দলে যে যত বেশি লুটপাট করতে পারে সেই তত বড় নেতা। এদের থেকে আর কী আশা করা যায়! এখন তৃণমূলে মুষল পর্ব চলছে। এই দলটা যত তাড়াতাড়ি দলটা উঠে যাবে ততই বাংলার পক্ষে মঙ্গলজনক হবে।’ দিলীপ আরও বলেন, ‘আষ্টেপৃষ্ঠে দুর্নীতিতে জড়িয়ে থাকে এই দলটাকেই নিষিদ্ধ করা উচিত। ওদের প্রতীক ব্যান করে দেওয়া উচিত। কারণ তৃণমূল জঙ্গি সংগঠনের মতোই দেশ-বিরোধী কাজ করে।’
দুর্নীতির প্রশ্নে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও কটাক্ষ করেছেন দিলীপ। তাঁর সাফ কথা, ‘নেত্রীই সবাইকে চুরি করতে শিখিয়েছেন। এখন তার ফল তো ভোগ করতে হবে।’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার প্রসঙ্গেও তীর্যক মন্তব্য করেছেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ‘সাধারণ মানুষকে আমাদের অনুরোধ ডিমের যথেষ্ট দাম আছে। দাম দিয়ে কেনা ডিম যার-তার গায়ে ছুঁড়ে নষ্ট করবেন না। নিজেরা ডিম খান। বাড়ির বাচ্চাদের খাওয়ান। ডিম খেলে শক্তি বাড়ে, পুষ্টি হয়। ফালতু লোকের গায়ে ডিম ছুঁড়ে কোনও লাভ নেই।’