• facebook
  • twitter
Friday, 27 February, 2026

সদস্যপদ নবীকরণ নিয়ে জল্পনা ওড়ালেন দীপ্সিতা

দীপ্সিতা আরও জানান, তাঁর সদস্যপদ পশ্চিমবঙ্গে নয়, দিল্লিতে নথিভুক্ত। কারণ তিনি একসময় জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিলেন।

ফাইল চিত্র

সদস্যপদ নবীকরণ ঘিরে জল্পনার অবসান ঘটালেন প্রাক্তন এসএফআই নেত্রী দীপ্সিতা ধর। সম্প্রতি শোনা যাচ্ছিল, তিনি দলের প্রাথমিক সদস্যপদ নবীকরণ করেননি। বিষয়টি ঘিরে দলীয় ও রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল তৈরি হয়। তবে সমস্ত বিতর্কে ইতি টেনে দীপ্সিতা জানিয়েছেন, তিনি নিয়ম মেনেই দলের সদস্যপদ নবীকরণ করেছেন। তাঁর কথায়, ‘পার্টির সদস্যপদ রিনিউ করেছি। ভিত্তিহীন জল্পনা ছড়ানো বন্ধ হওয়া উচিত।’

প্রতীক উর রহমানের দলবদলের আবহে দীপ্সিতাকে নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল রাজ্য রাজনীতিতে। দলের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সদস্যপদ নবীকরণের সময়সীমা থাকে। সাধারণত জানুয়ারির মধ্যেই অধিকাংশ প্রাথমিক সদস্য নবীকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন এবং তা জেলা স্তরে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়। ‘পার্টিকেন্দ্রের সদস্য’দের ক্ষেত্রেও ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই নবীকরণ হয়ে থাকে। সেই প্রেক্ষাপটে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত দীপ্সিতার সদস্যপদ নবীকরণ হয়নি, এমন খবর ছড়িয়ে পড়ায় জল্পনা বাড়ে।

Advertisement

দীপ্সিতা আরও জানান, তাঁর সদস্যপদ পশ্চিমবঙ্গে নয়, দিল্লিতে নথিভুক্ত। কারণ তিনি একসময় জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিলেন। সেই সূত্রেই তাঁর সদস্যপদ দিল্লি ইউনিটে। সেখানেই তা নবীকরণ করা হয়েছে। এদিকে আরও একটি গুঞ্জন ছিল, তিনি সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে গিয়ে বিদেশে পোস্ট-ডক্টরাল গবেষণায় যোগ দিতে পারেন। সেই সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিয়ে দীপ্সিতা জানিয়েছেন, আপাতত দেশ ছাড়ার পরিকল্পনা নেই তাঁর। তিনি রাজনীতির সঙ্গেই যুক্ত থাকবেন। তাঁর অভিযোগ, বিরোধী শক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। পাশাপাশি সদস্যপদ নবীকরণের মতো দলের অভ্যন্তরীণ বিষয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ্যে আসা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

Advertisement

Advertisement