মোহনবাগানকে এবার শুভেচ্ছা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার শুভেন্দু অধিকারী সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে এই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। যাতে আপ্লুত ফুটবল মহল। ২৯ জুলাই, মোহনবাগান দিবস। ১৯১১ সালে এই দিনেই খালি পায়ে ব্রিটিশদের দুরমুশ করে প্রথমবার আইএফএ শিল্ড জিতেছিল মোহনবাগান। ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসে এই দিনটা বরাবরই গর্বের। এই বিষয়টি ব্যস্ততার মধ্যেও মাথায় রেখে শুভেচ্ছা জানালেন তিনি। রাজনীতিবিদ হিসাবে মুখ্যমন্ত্রীর পরিচয় সামনে থাকলেও খেলাধুলো তিনি বরাবরই ভালবাসেন। তাই এই দিনটি তাঁর বিশেষভাবে মনে ছিল বলেই শুভেচ্ছা জানাতে ভোলেননি।
বুধবার মোহনবাগান দিবসে সবুজ মেরুনকে শুভেচ্ছা জানালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার সকালে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, ‘গর্বের ২৯শে জুলাই। মোহনবাগান দিবসে সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। জয় মোহনবাগান।’ এই কথাটিই যেন শুনতে চেয়েছিল ক্রীড়াজগৎ। সেটাই পূর্ণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী। বাংলা এবং ইংরেজিতে দুটি ছবি পোস্ট করেছেন তিনি। সেখানেও রয়েছে শুভেচ্ছাবার্তা। তবে মোহনবাগান দিবসের একদিন আগে মোহনবাগান ক্লাবে গিয়েছিলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। ক্লাবের মাঠে কলকাতা লিগের ম্যাচ ছিল মঙ্গলবার। সেখানে গ্যালারিতে বসে খেলা দেখেন তিনি।
আর এদিন এল মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা। যা কেউ ভাবতেও পারেননি। সাধারণত মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের কাজ এবং উন্নয়ন নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। সেখানে মনে করে এমন শুভেচ্ছাবার্তা দেবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তা নিঃসন্দেহে চমকপ্রদ। এদিন এই সমাজমাধ্যমে পোস্ট নিয়ে রীতিমতো মোহনবাগান কর্মকর্তাদের মধ্যে খুশির হাওয়া বইতে শুরু করেছে। কারণ এটা আশা করতে পারেননি তাঁরা। এই শুভেচ্ছাবার্তা দেখে খুশি ক্রীড়া প্রেমীরাও। একদিন আগে মোহনবাগান ক্লাবে গিয়েছিলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। সেখানে খেলা দেখার পাশাপাশি গোটা ক্লাব পরিদর্শন করেন। অমর একাদশের মূর্তির সামনে দাঁড়িয়ে ইতিহাস শোনেন মোহনবাগানের। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ক্লাব সচিব সৃঞ্জয় বোস এবং সভাপতি দেবাশিস দত্ত। ক্লাবের ট্রফি রুমও ঘুরে দেখেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী।
তাছাড়া এটা একটা বিশেষ দিন সবুজ-মেরুন খেলোয়াড়দের কাছে। তাই তা ধুমধাম করে পালন করা হচ্ছে। এখানে অনেকেই এসেছেন সকাল থেকে। বিকেলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যাবেন কিনা সেটা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে শুভেচ্ছাবার্তা পেয়ে সকলেই খুশি। একদিন আগে ক্যান্টিনের চিকেন স্টু এবং ফিশফ্রাই খান ক্রীড়ামন্ত্রী। বেরিয়ে যাওয়ার আগে মোহনবাগানের রেজিস্টার বুকে লিখে যান, ‘ফিশফ্রাই এবং মোহনবাগান।’ মোহনবাগান দিবসেও ক্লাবে আসার বার্তা দিয়েছেন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। ক্লাবের সমর্থকদের কথা ভাবার জন্য ক্রীড়ামন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছে মোহনবাগান কর্তৃপক্ষও। তারপর এবার মোহনবাগান দিবসে সবুজ-মেরুনকে শুভেচ্ছা জানালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও।