উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েও রাজ্যের মহিলাদের জন্য ভাবনা রয়েছে তাঁর। বারবার মনে পড়ে যাচ্ছে রাজ্যের সব মহিলা এখনও অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাননি। দ্রুত স্বচ্ছ তালিকা তৈরি করে মহিলাদের হাত শক্ত করতে হবে। আর তাই উত্তরবঙ্গ থেকেই রাজ্যের মহিলাদের সুখবর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে সাংবাদিক বৈঠকে অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বড় বার্তা দিলেন তিনি। অন্নপূর্ণা যোজনার নথি ভেরিফিকেশন চলছে বলেও জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী ৩০ আগস্টের মধ্যে যাঁরা যোগ্য তাঁদের নাম নথিভুক্ত হয়ে যাবে। আর তাঁরা পেয়ে যাবেন অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি জানিয়ে দেন, আগামী ৩০ আগস্টের মধ্যে যোগ্যরা নথিভুক্ত হয়ে যাবেন। জুন-জুলাই মাসেই অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা বহু মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকে গিয়েছে। তবে যাঁরা এখনও টাকা পাননি অথচ যোগ্য, তাঁরাও টাকা পেয়ে যাবেন। এই খবর সংবাদমাধ্যমে ঝড়ের গতিতে সম্প্রচারিত হয়। আর তাতেই এখন খুশির হাওয়া বইতে শুরু করেছে রাজ্যের মহিলাদের মধ্যে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জুলাই মাসেই অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা বহু মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকে যায়। তবে যাঁরা এখনও টাকা পাননি, অথচ যোগ্য, তাঁরাও টাকা পেয়ে যাবেন। এখন চলছে ভেরিফিকেশনের কাজ। আগস্টে অনেক যোগ্য আবেদনকারীরা টাকা পাবেন। এখনও নথি যাচাইয়ের কাজ চলছে। নথি যাচাইয়ের পর যাঁরা যোগ্যতার সব শর্ত পূরণ করবেন তাঁরা সকলেই এই টাকা পাবেন।’
রাজ্যে ক্ষমতায় এসেই সবার আগে যে কাজগুলি বিজেপি সরকার করে, তার মধ্যে অন্যতম অন্নপূর্ণা যোজনা। এই প্রকল্পে যোগ্য মহিলাদের মাসে ৩০০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ফর্ম ফিলআপ করে অনেকেই আবেদন করেছেন। অনেকে টাকা পেয়েও গিয়েছেন। কিন্তু এখনও অনেকের উপভোক্তা তালিকায় নাম ওঠেনি বলে জানা গিয়েছে। এই আবহে মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস, ‘অন্নপূর্ণা যোজনা অনেকে পেয়েছেন। অনেকের আবেদন আন্ডার ভেরিফিকেশনে রয়েছে। আগামী ৩০ আগস্টের মধ্যে যোগ্য মহিলারা অন্নপূর্ণা যোজনায় নথিভুক্ত হয়ে যাবেন। যাঁরা পাওয়ার যোগ্য স্বচ্ছতার ভিত্তিতে তাঁরা পেয়ে যাবেন।’
তাছাড়া পিএম কিষাণ থেকে শুরু করে আয়ুষ্মান ভারত নিয়েও বড় আপডেট দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, ‘কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যও টাকা দিচ্ছে। কৃষকবন্ধুর ভেরিফিকেশন শেষ হলে চাষের জমি থাকলেই ৪ হাজার টাকা দেওয়া হবে। এটা এখন উন্নয়নের অমৃতকাল। উত্তরবঙ্গে অনেকগুলি শিল্পের পরিকল্পনা করা হয়েছে। আম, আনারস, ভুট্টা প্রক্রিয়াকরণ শিল্প গড়ে উঠবে। প্রধানমন্ত্রী চা-শ্রমিক যোজনায় ৩৩০ কোটি টাকা পেয়েছি। আয়ুষ্মান দিবসে আয়ুষ্মান ভারত কার্ড বিলি শুরু হবে।’