‘১০ মার্চ পশ্চিমবঙ্গ মিথ্যা দিবস পালন করলে কেমন হয়?’ প্রাক্তনকে প্রশ্নের খোঁচা শুভেন্দুর

CM Suvendu Adhikari Photo-SNS

মাঝে আর একটা দিন। তারপরই রাজ্যের দুই বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে। মুর্শিদাবাদের রেজিনগর এবং পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম। আগামী ৬ অক্টোবর ভোট। সেখানে রবিবার প্রচারের শেষ দিন। আর সেই প্রচারের শেষ লগ্নে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পা ভাঙার ঘটনা নিয়ে চরম খোঁচা দিলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি একদিন আগেই নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে তথ্য সামনে তুলে ধরে জানিয়েছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পা ভাঙেনি পাঁচ বছর আগে। সেটা মিথ্যে ঘটনা ছিল। এবার রবিবাসরীয় প্রচার থেকে আবার খোঁচা দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী।

রবিবাসরীয় বারবেলায় নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের সমর্থনে দুটি পদযাত্রা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তার আগেই বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছিল। এই ঘটনায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। শেষ ভোটপ্রচারে এদিন নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের সমর্থনে পদযাত্রা করেন শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রাম ১ ব্লকের টেঙ্গুয়া থেকে থানা মোড় পর্যন্ত মিছিল হয়। প্রায় ৬ হাজার মানুষ মিছিলে সমবেত হয়েছেন বলে বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করেছে।

নন্দীগ্রাম ১ ব্লকের গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের বড়নগর গ্রামে বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে। বেশি রাতে বিজেপির বুথ সভাপতি দীনবন্ধুর বাড়ির সামনে ব্যাপক বোমাবাজি শুরু হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনার পরই রবিবার নন্দীগ্রাম ১ ব্লকের টেঙ্গুয়া থেকে থানা মোড় পর্যন্ত এবং নন্দীগ্রাম ২ ব্লকের রাজারামচক থেকে মিরের বাজার পর্যন্ত পদযাত্রায় যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এখানেই জয়ের বিষয়ে আশাবাদী শুভেন্দু আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করেছেন। আর শুভেন্দু অধিকারীর খোঁচা, ‘১০ মার্চ পশ্চিমবঙ্গ মিথ্যা দিবস পালন করলে কেমন হয়?’ আসলে পা ভাঙার ঘটনা মিথ্যা বলেই এমন খোঁচা দেন তিনি।


তবে গত পাঁচমাসে নন্দীগ্রাম তথা রাজ্যে যে বিপুল কাজ শুভেন্দু অধিকারীর সরকার শুরু করেছে তা বিচার করেই মানুষ ভোট দেবেন বলে আশা করছেন সকলে। তাই এদিন মিছিল থেকেই পা ভাঙার প্রসঙ্গ তুলে খোঁচা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মার্চের ১০ তারিখ ‘পশ্চিমবঙ্গ মিথ্যা দিবস’ পালন করলে কেমন হয়? এই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামে জয়ের ব্যাপারে ১০০ শতাংশ প্রত্যয়ী জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যত বেশি ভোট পড়বে, তত জয়ের ব্যবধান বাড়বে। নন্দীগ্রামে ৭২ হাজার সংখ্যালঘু রয়েছে। হাজারের বেশি সংখ্যালঘু মানুষ এদিনও মিছিলে হাঁটছেন। সংখ্যালঘুরা এবার নন্দীগ্রামে বিজেপিকেই সমর্থন করবেন।’