অষ্টমীতে পাড়ার পুজোমণ্ডপে সপরিবারে অঞ্জলি দিলেন সুকান্ত মজুমদার, মাতলেন আড্ডাতেও

Minister Sukanta Majumder Photo-SNS

দুর্গাপুজোর অষ্টমীতে পাড়ায় পাড়ায় চলছে পুষ্পাঞ্জলি। ৮ থেকে ৮০ সেখানে ভিড় জমিয়েছেন সকলে। কিন্তু রাজ্যের রাজনীতিবিদরা কী করছেন এখন?এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কারণ সকলের কৌতূহল তাঁরা কী করেন? সেই কৌতূহল থাকতেই পারে। কারণ রাজ্যে এখন বিজেপি সরকার এসেছে। তাই তাঁদের নেতা-মন্ত্রীদের নিয়ে কৌতূহল একটু বেশি থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। এই আবহে সকলেই কিছুটা সময় বের করে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান। এবারও মহাষ্টমীর সকালে স্ত্রী এবং দুই মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে পাড়ার পুজোমণ্ডপে অঞ্জলি দিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তথা বিজেপিনেতা সুকান্ত মজুমদার।

সোমবার সকালে বালুরঘাটের দক্ষিণ খাদিমপুর শঙ্কর স্মৃতি মন্দিরে সপরিবারে পুষ্পাঞ্জলি দিলেন সুকান্ত মজুমদার। তবে অঞ্জলি দিয়েই তিনি ক্ষান্ত হননি। বরং পাড়ার পরিচিতদের সঙ্গে দেদার আড্ডা থেকে শুরু করে সেলফি তোলার আবদার মেটালেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী। এমনকী, মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে বাজি ফাটাতেও দেখা গেল তাঁকে। সুতরাং উৎসবে তিনি মেতে উঠেছেন। প্রত্যেক বছরই দুর্গাপুজোয় পরিবারের সঙ্গে অঞ্জলি দেওয়ার চেষ্টা করেন সুকান্ত মজুমদার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দায়িত্ব সামলানো থেকে শুরু করে বছরভর রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকতে হয় তাঁকে। তাই পরিবারের সঙ্গে খুব বেশি সময় কাটানোর সুযোগ মেলে না। তবে দুর্গাপুজোর দিনগুলি পরিবারের জন্য সময় বের করেন তিনি।

অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপুজোর সময় আগে কখনও চোরবাগান দুর্ঘটনার মতো ঘটনা ঘটেনি। এত মানুষের একসঙ্গে মৃত্যু হয়নি। তারপরও সুকান্ত মজুমদার উৎসবে মাতলেন কেন? আসলে জীবন তো থেমে থাকে না। সময়ের দাবি মেনে অনেক কিছুই করতে হয়। তাই সুকান্ত মজুমদারকেও তা করতে হয়েছে। এমনই মনে করছেন একাংশ। তবে রাজ্যবাসীর মঙ্গল কামনায় এদিন প্রার্থনা করেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী। তারপর একেবারে অন্য মেজাজে দেখা যায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে। পাড়ার বাসিন্দাদের সঙ্গে খোশমেজাজে গল্পগুজবে মেতে ওঠেন। তাঁকে কাছে পেয়ে অনেকেই সেলফি তোলার আবদার করেন। কাউকেই নিরাশ করেননি সুকান্তবাবু। হাসিমুখে সকলের সঙ্গে ছবি তোলেন।


তাছাড়া আগে বালুরঘাটের মৈত্রচক্র ক্লাবে অষ্টমীর অঞ্জলি দিতে যেতেন সুকান্ত মজুমদার। দু’বছর আগে খাদিমপুর থেকে দীপালিনগরে বসবাস করছেন তিনি। এবার বাড়ি সংলগ্ন দক্ষিণ খাদিমপুর শঙ্কর স্মৃতি মন্দিরের পুজোমণ্ডপে অঞ্জলি দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সপরিবারে আমবাগান মহিলা সেবা সমিতির পুজোমণ্ডপেও যান তিনি। এখানে অঞ্জলি দেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘আজ খুব সকালেই মহাষ্টমীর তিথি। আর পাঁচটা বাঙালির মতো আমিও সপরিবারে উপস্থিত হয়েছি মায়ের কাছে পুষ্পাঞ্জলি দিতে। প্রার্থনা করলাম, মা যেন আমাদের সবাইকে রক্ষা করেন। পশ্চিমবঙ্গের সকল মানুষকে মা যেন সুখ-সমৃদ্ধি প্রদান করেন।’