আরজি কর কাণ্ডের তদন্তভার সিবিআই নেওয়ার পর কয়েক সপ্তাহ পেরিয়ে গিয়েছে। গ্রেফতারির সংখ্যা এখনও বাড়েনি। এনিয়ে ইতিমধ্যেই সুর চড়িয়েছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। এহেন পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকা আরজি কর হাসপাতালের মর্গে হাজির হন সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিকেরা। কী কারণে মর্গে এলেন তাঁরা, তা নিয়েই শুরু হয়েছে জল্পনা।
আরজি করের ট্রেনি ডাক্তারের ধর্ষণ-খুনের ঘটনার পাশাপাশি আরজি করের আর্থিক দুর্নীতির তদন্তও করছে সিবিআই। হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে মৃতদেহ পাচারের অভিযোগ উঠেছিল। ইতিমধ্যেই সিবিআই একাধিকবার সন্দীপ ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। বৃহস্পতিবারও চলছে জিজ্ঞাসাবাদ। সূত্রের খবর, মৃতদেহ পাচারের তদন্তেই আরজি করের মর্গে গিয়েছিল সিবিআই।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সিবিআইয়ের পাঁচ সদস্যের একটি দল আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পৌঁছন। এরপর হাসপাতালের প্লাটিনাম জুবলি বিল্ডিংয়ের পাশের মর্গে চলে যান তাঁরা। ওই বিভাগের কর্মীদের সঙ্গে কথা তদন্তকারী আধিকারিকেরা। বেশ কিছু তথ্য সংগ্রহও করেন।
আরজি করের আর্থিক দুর্নীতি মামলায় হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে জৈব বর্জ্য নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগও উঠেছে। এই ঘটনায় অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছেন আরজি করের ফরেন্সিকের শিক্ষক দেবাশিস সোমও। হাসপাতালের অন্দরে তিনি আবার সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার সিবিআইয়ের দলটি জৈব বর্জ্য দুর্নীতি নিয়েও খোঁজ খবর চালান।




