উওর ২৪ পরগনার বেলঘরিয়া থানার অন্তর্গত নিমতার বাসিন্দা শর্মিষ্ঠা সাহা দাস দৃষ্টিহীন তরুণী। তাঁর আভিযোগ তাঁর বাবা কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে চাকরী করতেন । ২০২৪ সালে বাবার মৃত্যুর পর শর্মিষ্ঠা মাথায় আকাশ ভেঙে পরার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। কোনও রকম নিজেকে সামলে নিলেও আগামীতে বেঁচে থাকার জন্য বাবার পেনশন ছিল শেষ সম্বল।
বাবার মৃত্যুর পর বাবার অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। একাধিকার অফিসেও গিয়েছিলেন কিন্ত অফিসের পক্ষ থেকে কোনও সহযোগিতা করা হয়নি দৃষ্টিহীন শর্মিষ্ঠাকে। দু’বছর ধরে বার বার অফিস থেকে বিভিন্ন অছিলায় তাঁকে ঘোরানো হয় বলে আভিযোগ।
অবশেষে ২০২৬ সালের জুলাই মাসে কলকাতা হাইকোর্টে দ্বারস্থ হন দৃষ্টিহীন তরুণী। সোমবার বিচারপতি ঋতব্রত কুমার মিত্রের এজলাসে মামলার শুনানিতে শর্মিষ্ঠার পক্ষের আইনজীবী কল্লোল বসু ও সুমন বন্দোপাধ্যায় জানান, একজন অবিবাহিত দৃষ্টিহীন কন্যার বেঁচে থাকার জন্য রোজগারের সুযোগ নেই।
একমাত্র সম্বল বলতে তাঁর বাবার পেনশন। ২০১৩ সালে পিপিও নোটিফিকেশনে বলা হয়েছিল একজন বিবাহিত অথবা অবিবাহিত মেয়ে যদি যোগ্য অধিকারীর হয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই তাঁকে ফ্যামেলি পেনশন সুবিধা পাবেন।
কেন্দ্রীয় সরকারের সংশ্লিষ্ঠ দপ্তরকে বিচারপতি নিদের্শ দেন দ্রুত দৃষ্টিহীন প্রতিবন্ধী তরুণীর প্রাপ্য অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। পাশাপশি ওই তরুণীকে শংসাপত্র জমা দিয়ে জানাতে হবে তিনি সম্পূর্ণ বেকার।