বিজেপি ৫০-ও পেরবে না, তাই ইডি, সিবিআই দিয়ে ভয় দেখাচ্ছে: কল্যাণ

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (ছবি: Twitter|@KalyanBanerjeeAITC)

প্রচারে গিয়ে আসন নিয়ে সংখ্যাতত্ত্বে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মােদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিশানা করলেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে ইডি, সিবিআই-এর সক্রিয়তা নিয়েও প্রশ্ন তুললেন তিনি।

বৃহস্পতিবার হুগলির চাঁপদানিতে তৃণমূল প্রার্থী অরিন্দম গুইকে নিয়ে প্রচারে যান কল্যাণ। সেখানে নিজের বক্তব্যে জোড়াসাঁকোর তৃণমূল প্রার্থী বিবেক গুপ্তকে ইডি-র তলব প্রসঙ্গ টেনে বলেন, নরেন্দ্র মােদী, অমিত শাহ বুঝে গেছে বাংলায় বিজেপি ৫০ টি আসনও পেরবে না। তাই সিবিআই, ইডি দিয়ে ভয় দেখানাে হচ্ছে।

তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হচ্ছে। আমি বলছি এই সব ভয় দেখিয়ে কোনও লাভ নেই। ২০২৪ সালে মােদী, শাহকে মানুষ সব বুঝিয়ে দেবে। কৃষ্ণনগর উত্তর আসন থেকে বিজেপি প্রার্থী করেছে মুকুল রায়কে।


সেই প্রসঙ্গে কল্যাণ বলেন, মুকুল রায় এতদিন নিজেকে স্ট্যাটেজিস্ট বলে দাবি করেছেন দেখি বিজেপি-কে তিনি কীভাবে টেনে তুলতে পারেন খেলা হবে। মুকুলের চেনা মাটিতে খেলা হবে। বিজেপি যাদের কিনেছে তারা সবাই পচা মাল। বাঘ ভেবে বিড়াল নিয়েছে। ২ মের পর সব প্রমাণ হয়ে যাবে।

কল্যাণ বাবু বলেন, ২১-এর বিধানসভায় পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির হর যে শুধুমাত্র নিশ্চিত তাই নয়, ২০২৪ লােকসভা নির্বাচনে মমতার নেতৃত্বেই দিল্লির ক্ষমতা হারাবেন মােদী, এমনটাই দাবি করেছেন কল্যাণ।

তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত ১০ বছরে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দেশের মধ্যে এক নম্বরে। মমতার নিজের যা ক্ষমতা আছে সেটা দিয়ে বিজেপি-র কী হাল করে দেখুন। শরদ পাওয়ার, কেজরীবাল সবাই জানেন ২০২৪ সালে মােদীকে দিল্লি থেকে গুজরাত পাঠিয়ে দেবেন মমতা।

বিজেপির শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি শ্যামল বসু বলেন, কল্যাণ এ ভাবেই দলটাকে ডুবিয়েছে। গত লােকসভায় হুগলিতে ১৮ টি বিধানসভাতেই বিজেপি জিতেছে। তৃণমূল কোথায় জিতবে? ইডি, সিবিআই একটু সক্রিয় হলেই ওরা চেঁচামেচি শুরু করে।

এই এজেন্সিগুলি তাে তথ্য-প্রমাণ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেই কাজ করে। দোষীরা শান্তি পাবে। শ্যামল বাবু আরও বলেন, শুভেন্দু রাজীবের মতাে নেতারা বুঝতে পেরেছেন তৃণমূলে থেকে জিততে পারবেন না।

তাই তাঁরা বিজেপিতে যােগ দিয়েছেন। অনেকে টিকিট না পেয়ে একটু বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। সেটা মিটে গিয়েছে। আর বিক্ষোভ দেখতে পাবেন না।