আন্তঃরাজ্য ভুয়ো সার্টিফিকেট চক্রের মাস্টারমাইন্ড অভিষেক! পুলিশে অভিযোগ ববির

Abhijit Das Booby Photo-SNS

একের পর এক অভিযোগ উঠেই চলেছে। একাধিক অভিযোগ দায়ের হয়েছে বিভিন্ন থানায়। মামলাও হয়েছে প্রচুর। আর এই সবগুলিই হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। এবার আরও একটি অভিযোগ তুলে পুলিশের দ্বারস্থ হলেন বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস ওরফে ববি। আগেও একাধিক অভিযোগ তিনি তুলে পুলিশকে জানিয়েছেন। এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আন্তঃরাজ্য ভুয়ো সার্টিফিকেট চক্র চালাবার অভিযোগ তুললেন অভিজিৎ।

এদিকে এই অভিযোগের পর বিপদ বাড়ছে কালীঘাট তৃণমূলের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বলে অনেকে মনে করছেন। শুক্রবার আন্তঃরাজ্য ভুয়ো সার্টিফিকেট ব়্যাকেট চালানোর অভিযোগে জীবনতলা থানায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলেন অভিজিৎ দাস ওরফে ববি। এমনকী এই কাণ্ডে অভিষেকই মাস্টারমাইন্ড বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে নাম রয়েছে শওকত মোল্লা, অভিষেকের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায় এবং অয়ন ঘোষদস্তিদারেরও। শওকত মোল্লা এখন জেলে। সুমিত রায়কে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তবে অয়ন প্রকাশ্যেই ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মাটি চুরি থেকে সেবাশ্রয় শিবিরের কেলেঙ্কারি নিয়ে অভিযোগ করে চলেছেন বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস ওরফে ববি। একের পর এক অভিযোগ তুলে অভিষেকের বিরুদ্ধে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। এবার তাতে নয়া সংযোজন ভুয়ো সার্টিফিকেট। অভিষেক তা নিয়ে রীতিমতো চক্র চালাতেন বলেও অভিযোগ তুলেছেন ববি। এবার অভিষেকের বিরুদ্ধে আন্তঃরাজ্য ভুয়ো সার্টিফিকেট ব়্যাকেট চালানোর অভিযোগ তুলে জীবনতলা থানায় গিয়েছেন ববি। এই অভিযোগ সামনে আসতেই দক্ষিণ ২৪ পরগনা জুড়ে ঢি-ঢি পড়ে গিয়েছে। জোর চর্চা শুরু হয়েছে।


তাছাড়া বিজেপি এখন রাজ্যের ক্ষমতায় রয়েছে। আর তারপর থেকে মাটি চুরি, কয়লা চুরি, চাকরি চুরি, সই জালিয়াতি, সেবাশ্রয় দুর্নীতি, মদ কেলেঙ্কারি-সহ নানা অভিযোগ তোলা হয়েছে। তার জেরে সিবিআই, ইডি, সিআইডি অভিষেককে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। এবার সামনে এসেছে আন্তঃরাজ্য ভুয়ো শংসাপত্র চক্রের অভিযোগ। ববির অভিযোগ, ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুটি হাত-জাহাঙ্গির খান এবং শওকত মোল্লা। শওকত পঞ্চম শ্রেণির বেশি পড়েনি। অথচ প্রত্যেকবার ভোটের হলফনামায় বদলে যেত তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা। তাঁর সব সার্টিফিকেট সব অন্য রাজ্যের সংস্থার নামে। আবার ডেইলি কোর্সে পড়াশোনা করেছেন বলে উল্লেখ করেছেন। উনি তো থাকেন এখানে, তাহলে কী করে রোজ ক্লাস করলেন? এতেই আমার সন্দেহ হয়। তারপর খোঁজ শুরু করি। এটা একটা বড় চক্র। অভিষেক-সহ ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছি।’