চিল্কিগড়ের ডুলুং নদীর উপর স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবিতে শুক্রবার বিধানসভায় সরব হলেন বিনপুরের বিধায়ক প্রণত টুডু। স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সেতুর অভাবে বর্ষাকালে চিল্কিগড় ও জামবনি এলাকার মানুষের দুর্ভোগ চরমে ওঠে। একই সঙ্গে জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র ঐতিহাসিক কনকদুর্গা মন্দিরে যাতায়াতও ব্যাহত হয়।
বিধায়ক জানান, ডুলুং নদীর উপর বর্তমানে একটি কজওয়ে থাকলেও ভারী বৃষ্টিতে নদীর জলস্তর বাড়লেই সেটি জলের তলায় তলিয়ে যায়। ফলে জামবনি ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকার সঙ্গে ব্লক সদর গিধনির সহজ যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এর জেরে রোগী, প্রসূতি, পড়ুয়া, ব্যবসায়ী, নিত্যযাত্রী-সহ সাধারণ মানুষকে চরম সমস্যার মুখে পড়তে হয়। জরুরি পরিষেবা পৌঁছাতেও নানা বাধার সৃষ্টি হয় বলে বিধানসভায় উল্লেখ করেন তিনি।
<iframe src=”https://www.facebook.com/plugins/video.php?height=332&href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Freel%2F1647549620263392%2F&show_text=false&width=560&t=0″ width=”560″ height=”332″ style=”border:none;overflow:hidden” scrolling=”no” frameborder=”0″ allowfullscreen=”true” allow=”autoplay; clipboard-write; encrypted-media; picture-in-picture; web-share” allowFullScreen=”true”></iframe>
সম্প্রতি টানা বৃষ্টিতে ডুলুং নদীর জল বেড়ে কজওয়ের উপর দিয়ে প্রবল স্রোত বইতে শুরু করায় ফের একই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ঝুঁকি নিয়েই বহু মানুষকে নদী পারাপার করতে হচ্ছে। সেই প্রেক্ষিতেই দীর্ঘদিনের স্থায়ী সেতুর দাবি আবারও জোরালো হয়েছে।
বিধানসভায় প্রণত টুডু জানান, প্রস্তাবিত সেতু নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় বিস্তারিত প্রকল্প প্রতিবেদন (ডিপিআর), নকশা এবং অন্যান্য কারিগরি নথি ইতিমধ্যেই প্রস্তুত রয়েছে। তাই জনস্বার্থের পাশাপাশি চিল্কিগড়ের পর্যটন শিল্পের বিকাশের কথা বিবেচনা করে দ্রুত সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করতে সংশ্লিষ্ট দফতরের মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
বিধায়কের দাবি, ডুলুংয়ের উপর স্থায়ী সেতু নির্মিত হলে শুধু স্থানীয় মানুষের দুর্ভোগই কমবে না, কনকদুর্গা মন্দিরকে ঘিরে পর্যটনেরও আরও প্রসার ঘটবে। দীর্ঘদিনের এই দাবি দ্রুত বাস্তবায়িত হবে বলেই আশাবাদী স্থানীয় বাসিন্দারাও।