• facebook
  • twitter
Saturday, 7 March, 2026

ইউপিএসসি-তে বড় সাফল্য বাংলার মেয়েদের, শুভেচ্ছাবার্তা মমতার

শনিবার নিজের এক্স হ্যান্ডলে এই ফলাফল তুলে ধরে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি

আন্তর্জাতিক নারী দিবসের আগেই বড় সাফল্য এনে দিলেন বাংলার মেয়েরা। সদ্য প্রকাশিত ২০২৫ সালের ইউপিএসসি পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গিয়েছে, মেধাতালিকায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় জায়গা করে নিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের ছেলেমেয়েরা। বিশেষভাবে নজর কাড়ছে বাংলার মেয়েদের সাফল্য। ভবিষ্যতের আমলা ও পুলিশ আধিকারিকদের তালিকায় বাংলার সফল প্রার্থীদের প্রায় অর্ধেকই নারী।

এই সাফল্যের জন্য রাজ্যের কৃতী পড়ুয়াদের আগাম অভিনন্দন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার নিজের এক্স হ্যান্ডলে এই ফলাফল তুলে ধরে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্য সরকারের উদ্যোগে গড়ে ওঠা প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার জোরেই সর্বভারতীয় এই কঠিন পরীক্ষায় বাংলার মেধাবী ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী ছাত্রছাত্রীরা ভালো ফল করতে পেরেছেন।

Advertisement

প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, ৪০ থেকে ৯০০ পর্যন্ত বিভিন্ন র‍্যাঙ্কে বাংলার একাধিক পরীক্ষার্থীর নাম রয়েছে। এর মধ্যে ৪০তম স্থান অর্জন করে নজির গড়েছেন দিশা রায়। এছাড়া ২০০ থেকে ৫০০ র‍্যাঙ্কের মধ্যে রয়েছেন ছয়জন প্রার্থী, যাঁরা সকলেই পুরুষ। অন্যদিকে ৬০০ থেকে ৯০০ র‍্যাঙ্কের মধ্যে চারজন সফল পরীক্ষার্থীই নারী। তাঁদের মধ্যে ৬৪৮তম স্থানে রয়েছেন মহসিনা বানু , ৬৪৯তম স্থানে জুহি দাস, ৭৬০তম স্থানে কীর্তি চৌধুরী এবং ৮৯৩তম স্থান অর্জন করেছেন অ্যানিয়েলা শেরপা।

Advertisement

একসময় সর্বভারতীয় সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় বাংলার অংশগ্রহণ ও সাফল্যের হার তুলনামূলকভাবে কম ছিল। সেই পরিস্থিতি বদলাতে রাজ্য সরকার বিশেষ উদ্যোগ নেয়। নিউটাউনে গড়ে তোলা হয় সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর সিভিল সার্ভিস স্টাডি সেন্টার, যেখানে ডব্লিউবিসিএস, আইএএসের মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য সরকারি উদ্যোগে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। কম খরচে এখানে প্রস্তুতির সুযোগ পান বহু মেধাবী ছাত্রছাত্রী, এমনকি প্রান্তিক পরিবারের পড়ুয়ারাও।

এই কেন্দ্রে অভিজ্ঞ প্রশাসনিক আধিকারিকরাই প্রশিক্ষণ দেন। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এবারের ইউপিএসসি পরীক্ষায় মেধাতালিকার উপরের দিকে থাকা বাংলার ১১ জনই এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ছাত্রছাত্রী। তাঁদের সাফল্যে গর্ব প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, রাজ্য সরকার সবসময় তাঁদের পাশে থাকবে।
নারী দিবসের আগে বাংলার মেয়েদের এই সাফল্য শুধু রাজ্যের জন্যই নয়, দেশের প্রশাসনিক পরিষেবাতেও নতুন প্রজন্মের আত্মবিশ্বাস ও সক্ষমতার বার্তা বহন করছে।

Advertisement