পুনর্নির্বাচনে রেকর্ড সাড়া, ১৫ বুথে ভোটদান ছুঁলো প্রায় ৯০ শতাংশ

দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিম ও ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা কেন্দ্রের পুনর্নির্বাচন ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ চোখে পড়ল। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার ১৫টি বুথে ভোটদানের হার সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় ৯০ শতাংশ ছুঁয়ে ফেলেছে, যা রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

কমিশনের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিকেল ৫টা পর্যন্ত মোট ভোটদানের হার ছিল ৮৬.৯ শতাংশ। এর মধ্যে ডায়মন্ড হারবারের ৪টি বুথে ভোট পড়েছে ৮৭.৬ শতাংশ এবং মগরাহাট পশ্চিমের ১১টি বুথে ভোটদানের হার ৮৬.১১ শতাংশ।

সকাল থেকেই বুথগুলির সামনে দীর্ঘ লাইন চোখে পড়ে। বহু ভোটার ভোর ৬টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে পড়েন। তাঁদের অনেকেই জানিয়েছেন, আগের ভোট বাতিল হওয়ায় ফের ভোট দিতে হচ্ছে, যা কিছুটা অসন্তোষের কারণ হলেও ভোটদানে কোনও অনীহা দেখা যায়নি।
মগরাহাটের ইয়ারপুর এলাকায় কিছুক্ষণের জন্য উত্তেজনা তৈরি হয়, যখন বিজেপি প্রার্থী গৌর সুন্দর ঘোষকে ঘিরে স্লোগান দেন তৃণমূল সমর্থকদের একাংশ। যদিও দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে আর কোনও বড় অশান্তির খবর পাওয়া যায়নি।


প্রসঙ্গত, এদিন সামগ্রিকভাবে দিনভর ভোট প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণ ছিল। কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশের কড়া নজরদারিতে বুথের সামনে কোনও জমায়েত করতে দেওয়া হয়নি। বিভিন্ন এলাকায় টহল চালানো হয়, যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। এই পুনর্নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে মগরাহাট পশ্চিমের ১১টি এবং ডায়মন্ড হারবারের ৪টি বুথে। সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ চলে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।

অন্যদিকে, ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রেও একাধিক বুথে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। সূত্রের খবর, সেখানে প্রায় ৩০টি বুথে পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ করা হয়েছে। একই দাবি তুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

উল্লেখ্য, আগামী ৪ মে রাজ্যের ২৯৪টি আসনের ভোটগণনা হবে ৭৭টি কেন্দ্রে। তার আগে স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সর্বত্র সিসি ক্যামেরার কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে।