‘লক্ষ্মী এল ঘরে’ দেখলেন অভিষেক

বুধবার নন্দনে সিনেমা দেখলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।  ছবির নাম ‘লক্ষ্মী এল ঘরে’।  ৫৫ মিনিটের ছবি। ছবির নির্মাতা তৃণমূল। এই ছবির মাধ্যমে পাড়ায় পাড়ায় প্রচার করা হবে। পর্দা ঝুলিয়ে দেখাবে শাসকদল। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এই ছবি তৈরি করা  হয়েছে।  ছবির পরিচালক অরিজিৎ চক্রবর্তী হলেও নেপথ্য কারিগর পরিচালক তথা ব্যারাকপুরের বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী। তৃণমূল নির্মিত ‘লক্ষ্মী এল ঘরে’র প্রথম প্রদর্শনী হয়ে গেল বুধবার নন্দনে। অভিষেকের সঙ্গে ছিলেন তৃণমূলের রাজ্যসভা ও লোকসভার সংখ্যাগরিষ্ঠ সাংসদ একাধিক মন্ত্রীও। ছিলেন শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, হরনাথ চক্রবর্তী, প্রিয়াঙ্কা সরকারদের মতো টলিউ়ডের বেশ কিছু পরিচিত মুখও।

ছবিতে লক্ষ্মী ভাণ্ডার ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের কথা চিত্রনাট্যে উল্লেখ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বঞ্চনার কথাও সুকৌশলে দেখানো হয়েছে।  এসেছে এসআইআর প্রসঙ্গও। উল্লেখ্য, যে যে ভাষ্য নিয়ে তৃণমূল বিধানসভা ভোটের লক্ষ্যে অগ্রসর হচ্ছে, মোটামুটি সবই ছুঁয়ে গিয়েছে রাজের টিম।

ছবিতে শাশুড়ি-বউমার চরিত্রের মাধ্যমে কাহিনি এগিয়েছে। শাশুড়ির চরিত্রে অভিনয় করেছেন সোহিনী সেনগুপ্ত। বউমার চরিত্রে  অভিনয় করেছেন শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। এ ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন খরাজ মুখোপাধ্যায়, অঙ্কুশ হাজরা, ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়েরা। ছবিতে তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে তুলে ধরা হয়েছে মমতার সরকারের প্রকল্পগুলিতে মহিলারা কতটা লাভবান হচ্ছেন। ঘটনাচক্রে, দেড় দশকের বেশি সময় ধরে মহিলা সমর্থনই মমতার অন্যতম রাজনৈতিক পুঁজি। যা ক্রমে দৃঢ় থেকে দৃঢ়তর হয়েছে।


তৃণমূলের তৈরি ছবিতে  গ্রাম-মফস্বল এবং শহর এলাকার গরিব অঞ্চলের কথা মাথায় রেখেই নির্মাণ করা হয়েছে।  ছবির প্রদর্শন শেষে রাজ জানিয়েছেন, ১৫ দিনের মধ্যে এই ছবি নির্মাণ করতে হয়েছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায়। অভিষেক নিজে চিত্রনাট্য শুনে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছেন। এ ছবি অস্কার মনোনয়নের জন্য বানায়নি তৃণমূল। এ ছবি তৈরির উদ্দেশ্য ভোটের  প্রচার।