অনুপমের পরিবার চায় সিআইডি তদন্তও হোক

(Photo:SNS)

অনুপম দত্তের খুনের ঘটনায় দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তারের পাশাপাশি মূল ষড়যন্ত্রকারীকে গ্রেফতার করার আর্জি জানিয়েছেন অনুপম দত্তের স্ত্রী মীনাক্ষী দত্ত। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে সিআইডির পাশাপাশি সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

প্রসঙ্গত রবিবার সন্ধ্যায় পানিহাটিতে খুন হন ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত তৃণমূল কাউন্সিলর অনুপম দত্ত। অন্যদিকে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় ঝালদা পৌরসভা ২ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুরের।

এদিকে, একই দিনে রাজ্যে দুজন কাউন্সিলর মৃত্যুকে নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিষয়টি নিয়ে সোমবারই রাজ্যের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন তিনি।


কি কারণে পরপর এই রকম ঘটনা ঘটলো তাও জানতে চান স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে। এদিনের বৈঠকের মূলত রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয় আর সেই বৈঠকের পরই পানিহাটিতে পৌঁছায় সিআইডির টিম।

তবে ঘটনাতে সিআইডি তদন্তের কথা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেনি রাজ্য। এই দিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের এডিজি সিআইডি, এডিজি আইন-শৃঙ্খলা, কলকাতা পুলিশ কমিশনার, রাজ্যের মুখ্য ও সচিব স্বরাষ্ট্র সচিব।

এদিনের বৈঠকে দুই কাউন্সিলর এর খুনের ঘটনা নিয়ে আলোচনা হয়। তাছাড়া রাজ্যে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

সূত্রের খবর রবিবারের দুটি খুনের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী রীতিমতো ক্ষুদ্ধ। অন্যদিকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না হলেও অনুপম দত্ত খুনের ঘটনার তদন্তে পানিহাটি পৌঁছেছে সিআইডি।

সোমবার সিআইডির পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থলে যায়। ইতিমধ্যেই ঘটনায় আটক করা হয়েছে দুজনকে। তাদের খড়দহ থানায় জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেপ্তার রেছে পুলিশ।

এই নিয়ে অনুপম খুনের ঘটনায় পুলিশ মোট তিন জনকে গ্রেপ্তার করেছে। পানিহাটি ও ঝালদার দুই কাউন্সিলর খুনের ঘটনায় পুলিশকে দ্রুত খুনিদের গ্রেফতার ও তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সোমবার নবান্নে স্বরাষ্ট্র সচিব এবং পুলিশ ও সিআইডির পদস্থ অফিসারদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। আলোচনা হয় আনিস হত্যার তদন্তের অগ্রগতি নিয়েও।

এছাড়া উঠে আসে রাজ্যে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বেশ কিছু ঘটনা নিয়েও। এদিন বিধানসভায় বিজেপি বিধায়করা মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করে সভাকক্ষ ত্যাগ করেন।

মুখ্যমন্ত্রী এদিন বিধানসভায় যাননি। ছিলেন নবান্নে। সেখানে স্বরাষ্ট্র সচিব পুলিশের পদস্থ অফিসারদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বৈঠক করেন। বৈঠকে কলকাতার পুলিশ কমিশনারকেও ডাকা হয়েছিল।