ভোটার তালিকায় ‘গরমিল’-এর অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি চালাল বামেদের তিন সদস্যের প্রতিনিধিদল। প্রতিনিধি দলে ছিলেন শমীক লাহিড়ী, কল্লোল মজুমদার এবং সখেন্দু পানিগ্রাহী।
তাঁদের দাবি, গত ৩১ ডিসেম্বর থেকে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে দপ্তরে এলেও দীর্ঘ ৪৮ ঘণ্টা অপেক্ষার পর সিইও-র সঙ্গে দেখা করার সুযোগ মেলে। অভিযোগ, অন্য রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা হলেও তাঁদের ক্ষেত্রে সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি।
Advertisement
বাম নেতৃত্বের বক্তব্য, প্রকাশিত ভোটার তালিকায় গুরুতর ত্রুটি রয়েছে। প্রায় ২৭ লক্ষ মানুষের ভোটার পরিচয় নিয়েই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বলে দাবি তাঁদের। ‘এটা গণতান্ত্রিক অধিকারের লঙ্ঘন,’ অভিযোগ প্রতিনিধিদলের।
Advertisement
কসবার প্রার্থী দীপু দাসের নাম তালিকায় থাকা সত্ত্বেও মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে তাঁকে ‘ভোটার নন’ বলে জানানো হয় বলে দাবি। এই ঘটনাকে সামনে এনে কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বাম শিবির।
তাঁদের অভিযোগ, কসবা, মহেশতলা, ফলতা, কুলটি-সহ একাধিক এলাকায় একই ধরনের সমস্যা দেখা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষকে ‘হেনস্থা’ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ ওঠে।
কমিশনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আচরণের অভিযোগ তুলে বাম নেতৃত্ব জানায়, ‘দায় এড়াতে পারবে না কমিশন। তাদের ব্যর্থতার জেরেই বিচারব্যবস্থাকে হস্তক্ষেপ করতে হচ্ছে।’ তবে এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
Advertisement



