ভোটমুখী বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়ায় এখনও প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন রয়েছে। সেই তালিকায় বহু মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষের নাম থাকায় তাঁদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতেই মতুয়াদের উদ্দেশে শুভেচ্ছা-বার্তা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তবে তাঁর এই বার্তার নেপথ্যে রাজনৈতিক তাৎপর্য খুঁজছেন অনেকেই।
মতুয়া ধর্ম মহামেলা উপলক্ষে অমিত শাহ তাঁর বার্তায় লেখেন, ‘পূৰ্ণব্রহ্ম পূর্ণাবতার শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের ২১৫তম শুভ আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে আয়োজিত, পবিত্র মতুয়া ধর্ম মহামেলা ও পুণ্য স্নানের এই শুভক্ষণে মতুয়া সম্প্রদায়ের সকল ভাই ও বোনদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।’
বর্তমানে রাজ্য ছাড়াও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছেন মতুয়া সম্প্রদায়ের ভক্তরা। পুণ্যস্নান উপলক্ষে উত্তরাখণ্ড, কর্ণাটক, মহারাষ্ট্র-সহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে বিশেষ ট্রেন ও এক্সপ্রেসে করে ভক্তরা ঠাকুরনগরে আসেন। আন্দামান থেকেও বহু মতুয়া ভক্ত এই ধর্মমেলায় যোগ দেন।
এর আগে মেলার আয়োজন নিয়ে বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর এবং বনগাঁর প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ মমতা বালা ঠাকুরের মধ্যে বিরোধ প্রকাশ্যে এসেছিল। সেই সময় মতুয়া ভক্তদের মধ্যেও বিভাজন দেখা গিয়েছিল। তবে এবার প্রথমবারের মতো ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়িতে থাকা তিনটি অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘ একসঙ্গে মেলার আয়োজন করছে।