সাবেক ছিটমহলের প্রায় ১৫ হাজারের বেশি ভোটার নামের পাশে লেখা রয়েছে বিবেচনাধীন বা ‘আন্ডার অ্যাজুডিকেশন। তাদের ভোটার হিসেবে নাম তালিকায় থাকবে কি না, তা এখনও নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। তালিকা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে বাসিন্দার মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই অভিযোগ করেছেন, কমিশন তাদের সঙ্গে ছিনিমিনি খেলছে। এই পরিস্থিতিতে আন্দোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ছিটমহলের বাসিন্দারা।
মধ্যম শালডাঙার এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, ৬৮ বছর নাগরিকত্বহীন থাকার পর ২০১৫ সালে ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে তারা নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন। এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এবার ফের তাদের ‘বিবেচনাধীন’ করে দেওয়া হয়েছে, ফলে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়া, এমনকি নাগরিকত্ব হারানোর আশঙ্কায় ভুগছেন তারা। কমিশন আগে আশ্বস্ত করেছিল, কোনও সমস্যা হবে না। কিন্তু চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশে দেখা গিয়েছে, সাবেক ছিটমহলের প্রায় প্রত্যেক বাসিন্দার নাম বিবেচনাধীন তালিকায় রয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে খবর, সাবেক ছিটমহলের বাসিন্দারা ২০১৫ সালের পর ভোটার হয়েছেন। তাদের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে মিলিত না হওয়ায় ‘আনম্যাপড’ হিসেবে গণ্য হয়েছে। এই কারণেই তাদের নাম এবার বিবেচনাধীন তালিকায় রাখা হয়েছে। কোচবিহারের জেলাশাসক রাজু মিশ্র এই বিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি। বর্তমান পরিস্থিতিতে সাবেক ছিটমহলের বাসিন্দাদের মধ্যে আশঙ্কা ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।