পাকা বাড়ি ও বাড়ির বাইরে পাকা রাস্তা–– বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই দুটি পরিষেবামূলক বিষয়কে মানুষের সামনে তুলে ধরতে তিনটি কর্মসূচির উপর জোর দিয়েছে নবান্ন। ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে এই কর্মসূচিগুলির কাজ বাস্তবায়িত করার বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচিগুলি হল ‘বাংলার বাড়ি’, ‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’ এবং ‘পথশ্রী’। তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব বিশ্বাস করেন, এই তিন অস্ত্রেই আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির মেরুকরণের রাজনীতিকে ভোঁতা করা যাবে।
এর আগের দফায় ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে ১২ লক্ষ পরিবারকে অর্থ দিয়েছিল রাজ্য সরকার। বিধানসভা ভোটের আগে আরও ১৬ লক্ষ পরিবারের কাছে পৌঁছে যাবে আবাসের প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা। রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার জানিয়েছেন, এখনও তারিখ চূড়ান্ত হয়নি।
তবে জানুয়ারি মাসেই আবাসের প্রথম কিস্তির অর্থ উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি পৌঁছে যাবে। অর্থাৎ, দু’দফা মিলিয়ে ২৮ লক্ষ পরিবার পাকা বাড়ি তৈরির টাকা পাচ্ছে। ১২ লক্ষ উপভোক্তা দুই কিস্তিই পেয়ে গিয়েছে। ১৬ লক্ষ পরিবার ভোটের আগে প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা পেতে চলেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গড়ে প্রতিটি পরিবারে ৪ জন করে থাকলে সার্বিকভাবে সুবিধাভোগীর সংখ্যা দাঁড়াবে সওয়া ১ কোটি। তৃণমূল আশাবাদি, এই প্রকল্পের উপভোক্তার পরিবারের সকলে তৃণমূলকে ভোট দেবেন।
যদিও অন্য এক সূত্রের যুক্তি, প্রতি পরিবারের সকলেই ভোটার হবেন এরকম না–ও হতে পারে। ফলে সংখ্যাটা ১ কোটির নীচে থাকবে।