রাজ্যে তৈরি হবে আদানি গ্রুপের ২০০০ বেডের হাসপাতাল। বৃহস্পতিবার পূর্বপরিকল্পনা ছাড়াই স্বাস্থ্যভবনে সারপ্রাইভ ভিজিট করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এরপরেই তিনি স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বিরাট ঘোষণা করেন। এদিন স্বাস্থ্যভবনের কন্ট্রোল রুম খতিয়ে দেখার পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালের পরিষেবার বিষয়টাও খতিয়ে দেখেন।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, কলকাতার নিউ টাউনে আদানি গ্রুপের উদ্যোগে একটি বিশ্বমানের হাসপাতাল তৈরি করা হচ্ছে। ২০০০ বেড নিয়ে এই হাসপাতাল তৈরি করা হবে। সম্পূর্ণ আধুনিক ও উন্নতমানের এই হাসপাতাল নির্মাণের কাজ খুব দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই হাসপাতালের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে বলে এদিন মুখ্যমন্ত্রী সেই আশ্বাস দিয়েছেন। শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, ‘২০০০ বেডের হাসপাতাল তৈরি হচ্ছে। এর মধ্যে এক হাজার বেড শুধুমাত্র গরিব মানুষের জন্যই বরাদ্দ করা হবে।’
<iframe width=”560″ height=”315″ src=”https://www.youtube.com/embed/-xL3Hg_1LAc?si=FbvGmmJ1ykKLKE1W” title=”YouTube video player” frameborder=”0″ allow=”accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share” referrerpolicy=”strict-origin-when-cross-origin” allowfullscreen></iframe>
এর পাশাপাশি রাজ্যের সমস্ত হাসপাতালে বেড বাড়ানোর কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, পুজোর মধ্যে এসএসকেএম হাসপাতালে ২০০-২৫০ বেড বাড়ানো হবে। সেখানে আইসিইউ বেডের সংখ্যা ১১২ থেকে বেড়ে হবে ২০০। চিকিৎসা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিয়ে আসার পাশাপাশি কর্মীদের কাজের ক্ষেত্র পৃথক করতে নার্স, সিকিউরিটি ও ট্রলি চালকদের জন্য আলাদা রঙের ‘ল্যামিনেটেড ব্যাজ’ চালুর নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
যে কোনও বড় বিপর্যয় বা দুর্ঘটনায় দ্রুত সামাল দেওয়ার জন্য সরকারি হাসপাতালে অন্তত ২৫০ জন রোগীকে এক মিনিটে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন ‘ট্রমা কেয়ার সেন্টার’ তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। এ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘রোগীদের খাবারের জন্য বরাদ্দ টাকা বাড়ানো হয়েছে। ৫৪ টাকা থেকে ১১০ টাকা করা হয়েছে। তার ফলে বেড়েছে খাবারের মান। প্রান্তিক মানুষের জন্যই সরকারি হাসপাতালগুলির পরিষেবা উন্নতির কথা চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। কারণ কোনও নেতা-মন্ত্রী-আধিকারিকরা সরকারি হাসপাতালে যায় না। রোগীর আত্মীয়দের থাকার সুবিধার জন্য হাসপাতালের নিজস্ব জমিতে কম খরচে অথবা নিখরচায় রাতে আশ্রয়স্থল তৈরি করা হবে। যার জন্য প্রাথমিক স্তরে প্রতিটি ইউনিটকে ২৫ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ করা হচ্ছে।’