তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথের দিনে অনেকেই আশা করেছিলেন চেন্নাই সুপারকিংস দলের হযে মাঠে নামবেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। কিন্তু সেই আশা পূর্ণ হল না। লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে টসে জিতে চেন্নাই অধিনায়ক ৃতুরাজ গায়কোয়াড় ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন। অধিনায়ক প্রথম থেকেই বোলারদের অগ্রাসী ভূমিকা নিয়ে আক্রমণ শানাতে নির্দেশ দেন। রবিবার চেন্নাইয়ের হয়ে বোলার জেমি ওভারটন লখনউ শিবিরে বড় আঘাত হানেন। তিনি ৩টি উইকেট নেন ৩৬ রানের বিনিময়ে। লখনউ দল শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেট হারিয়ে ২০৩ রান করে। তার জবাবে চেন্নাই দল খেলতে নেমে ৫ উইকেটে ২০৮ রান করে ম্যাচ নিজেদের দখলে নিয়ে নেয়। চেন্নাই সুপার কিংস ৫ উইকেটে জয়লাভ করে প্লে অফ খেলার পদক্ষেপকে দৃঢ় করল।লখনউ সুপার জাযান্টস দলের অধিনায়ক ঋষভ পন্থ এদিনও নজর কাড়তে পারলেন না। ঋষভ ১৫ রান করে সরাসরি বোল্ড আউট হন। তখন বল করছিলেন জেমি ওভারটন। ওপেনার যশ ইংলিস কিছুটা ধরে খেলার চেষ্টা করেন।
এমনকি শতরান করার লক্ষ্যে অনেকটা এগিয়ে যান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৮৫ রানের মাথায় যশ আউট হয়ে মাঠের বাইরে চলে যান। তিনি ওভারটনের বলে সঞ্জু স্যামসনের হাতে ক্যাচ তুলে দেন। যশ ৩৩ বলে ৮৫ রান করার ফাঁকে ১০টি চার ও ৬টি ছক্কা মারেন। সেই অর্থে যশ ছাড়া অন্য কোনও ক্রিকেটারের বড় রান করার লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেননি। তবে শাহবাজ অহমেদ শেষের দিকে কিছুটা ধরে খেলার চেষ্টায় ৪৩ রানে নট অউট থাকেন। তিনি ২৫টি বল খেলেন। তার মধ্যে তিনটি চার ও ছক্কা ছিল। আসলে লখনউয়ের ব্যাটসম্যানরা প্রতিপক্ষ দলের বোলারদের সেইভাবে মোকাবিলা করতে পারেননি। পাওয়ার প্লে-তে লখনউ যেভাবে রান করে এগিয়ে যাচ্ছিল তাতে বড় অঙ্কের স্কোর বোর্ড দেখা আশা করা গিয়েছিল।চেন্নাই দলের হয়ে ওপেন করতে অসেন অধিনায়ক ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও সঞ্জু স্যামসন। দলের ৪৫ রানের মাথায় সঞ্জু ব্যক্তিগত ২৮ রানে আউট হন। দিগভেস রাঠির বলে সঞ্জু সরাসরি বোল্ড আউট হন। তিনি ১৪টি বল খেলেন। তার মধ্যে তিনটি চার আর দুটি ছক্কা মারেন। ঋতুরাজের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে জুটি বাঁধেন উরভিল প্যাটেল। ২৭ বছরের উরভিল প্যাটেল বেশ স্বচ্ছন্দে খেলতে থাকেন। অর্ধশতরান করতে তাঁর বেগ পেতে হয়নি। ঋতুরাজ সব সময় তাঁকে সাহস দিয়েছেন। কিন্তু শাহবাজ আহমেদের একটি বল ছক্কা মারতে গিয়ে প্যাটেল ক্যাচ তুলে দেন আভেস খানের হাতে। তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে ৬৫ রান। ২৩ বলে ৬৫ রানে করে নজর কেড়ে নেন উরভিল প্যাটেল। ৮টি ছক্কা ও ২টি চার মারেন তিনি। অল্পের জন্য ঋতুরাজ গায়কোয়াড় অর্ধশতরান পেলেন না।
Advertisement
শাহবাজ আহমেদের বলে বোল্ড আুট হন ৪২ রানের মাথায়। কার্তিক শর্মা গুছিয়ে খেলার চেষ্টা করেন। নিজের ২০ রানের মাথায় আভেস খানের বলে রঘুবংশীর হাতে ক্যাচতুলে দেন। ভাবা গিয়েছিলডি প্রেভিস বড় অঙ্কের রান উপহার দেবেন। দিগভেস রাঠির বলে বোল্ড অউট ১০ রানে মাথায় মাঠের বাইরে চলে যান। চেন্নাই দলের কাছে লঢ়াই করাটা বেশ কঠিন হয়ে যায়। পঞ্চম উইকেটটি পড়ে ১৬৯ রানে। চার বল বাকি থাকতেই চেন্নাই দল জয় পেয়ে যায়। পাঁচ উইকেটে ২০৮ রান তুলে ঋতুরাজ গায়কোয়াড় বাজিমাত করে নেয় লখনউয়ের বিরুদ্ধে।
Advertisement
Advertisement



