মার্কিন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে পরমাণু হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন— এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি সামনে আনলেন ল্যারি জনসন। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ল্যারি জনসন, যিনি আগে সিআইএ-তে বিশ্লেষক হিসেবে কাজ করেছেন, সম্প্রতি নিজের ব্লগে এই দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, গুড ফ্রাইডের দিন দু’টি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ার ঘটনায় প্রবল ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন ট্রাম্প। এরপরই তিনি ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবেন এবং পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেন।
Advertisement
জনসনের দাবি, এই পরিস্থিতিতে মার্কিন সেনার জয়েন্ট চিফ অফ স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যান কেন সেই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন। পেন্টাগনে এক জরুরি বৈঠকে তিনি ট্রাম্পকে সেই পদক্ষেপ থেকে বিরত করার চেষ্টা করেন।
Advertisement
এর আগে যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যে ট্রাম্প ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ‘এক রাতের মধ্যে একটি সভ্যতার অস্তিত্ব শেষ হয়ে যেতে পারে।’ সেই মন্তব্যেই আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ ছড়িয়েছিল। তবে বাস্তবে এমন কোনও পদক্ষেপ না হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
ল্যারি জনসনের আরও দাবি, ওই বৈঠকে ট্রাম্প ও ড্যান কেনের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে এক পর্যায়ে ড্যান কেন বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে যান। যদিও পরে তিনি ফিরে এসে ট্রাম্পকে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে রাজি করান।
এই ঘটনার সত্যতা নিয়ে এখনও পর্যন্ত হোয়াইট হাউস কোনও মন্তব্য করেনি। ফলে বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে। তবে এই দাবি সামনে আসতেই আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
Advertisement



