• facebook
  • twitter
Monday, 20 April, 2026

ভোটের কাজে অধ্যাপক নিয়োগ মামলায় সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে গেল কমিশন

সোমবার বিচারপতি শম্পা সরকার  এবং বিচারপতি  অজয় কুমার গুপ্তার ডিভিশন বেঞ্চ কমিশনকে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে

কলকাতা হাইকোর্ট। ফাইল চিত্র।

কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত ঘিরে আইনি জট আরও জোরালো হল। কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চে বিচারপতি  কৃষ্ণা রাও এই নিয়োগ খারিজ করার পর এবার সেই নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ জানাল নির্বাচন কমিশন। সোমবার বিচারপতি শম্পা সরকার  এবং বিচারপতি  অজয় কুমার গুপ্তার ডিভিশন বেঞ্চ কমিশনকে মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে। এই মামলার শুনানি মঙ্গলবার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত অধ্যাপকদের একাংশের আপত্তি থেকে। তাঁদের দাবি ছিল, প্রিসাইডিং অফিসারের মতো দায়িত্বে নিয়োগের ক্ষেত্রে উপযুক্ত কারণ দেখাতে পারেনি কমিশন। গত শুক্রবার সেই মামলার শুনানিতে আদালত কমিশনের কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চায়। কিন্তু সন্তোষজনক জবাব না পাওয়ায় বিচারপতি কৃষ্ণ রাও কমিশনের জারি করা বিজ্ঞপ্তি বাতিল করে দেন। পাশাপাশি তিনি নির্দেশ দেন, যথাযথ কারণ ছাড়া কলেজের অধ্যাপকদের এমন নির্বাচনী দায়িত্বে নিযুক্ত করা যাবে না, যা তাঁদের পদমর্যাদার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

Advertisement

তবে আদালত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্পষ্ট করেছে। যেসব অধ্যাপক ইতিমধ্যেই প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন বা প্রক্রিয়ায় রয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই নির্দেশ প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ, প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ হলে তাঁদের ভোটের সময় দায়িত্ব পালন করতে হবে। অন্যদিকে, যাঁরা এখনও প্রশিক্ষণ নেননি, তাঁরা এই নির্দেশের ফলে অব্যাহতি পাবেন।

Advertisement

উল্লেখ্য, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য রাজ্যে প্রায় ৯০ হাজারের বেশি বুথে প্রিসাইডিং অফিসার প্রয়োজন। কমিশনের দাবি, অতীত নির্বাচনেও অধ্যাপকেরা এই দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে আদালতের মতে, এ বার সেই নিয়োগের পক্ষে পর্যাপ্ত যুক্তি দেখাতে ব্যর্থ হওয়াতেই সিদ্ধান্ত খারিজ করা হয়েছে। এখন ডিভিশন বেঞ্চের রায়ের দিকেই নজর সবার।

Advertisement