• facebook
  • twitter
Thursday, 9 April, 2026

মৎস্য উৎপাদন নিয়ে রাজ্যকে তোপ প্রধানমন্ত্রীর

আমিষ খাবার, বিশেষত মাছ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক নতুন করে তীব্র হয়েছে বাংলার ভোটের আগে

আমিষ খাবার, বিশেষত মাছ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক নতুন করে তীব্র হয়েছে বাংলার ভোটের আগে। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি বাঙালির ঐতিহ্যবাহী খাদ্যাভ্যাসে হস্তক্ষেপ করতে চায় এবং মাছ-মাংস খাওয়ার বিরোধিতা করে। তবে এই অভিযোগ খণ্ডন করতে ভোটমুখী বাংলায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে বিজেপি নেতৃত্ব। প্রার্থীদের মাছ হাতে প্রচার করতেও দেখা গেছে, এমনকি  দিলীপ ঘোষকেও খড়গপুরের একটি মাছবাজারে ঘুরে দেখতে দেখা যায়।

এই প্রেক্ষাপটে পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ায় জনসভা করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজেও মাছের প্রসঙ্গ তোলেন। নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে আয়োজিত সভা থেকে তিনি বলেন, সুযোগ থাকা সত্ত্বেও পশ্চিমবঙ্গ মাছ উৎপাদনে পিছিয়ে রয়েছে এবং এখনও অন্য রাজ্যের উপর নির্ভর করতে হয়। তাঁর দাবি, বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিতে মৎস্য উৎপাদন দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

Advertisement

মোদির এই বক্তব্যের জবাবে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পালটা দাবি করেন, এখন রাজ্য মাছ উৎপাদনে অনেকটাই স্বাবলম্বী। মিনাখার সভা থেকে তিনি জানান, আগে অন্ধ্র প্রদেশের উপর নির্ভর করতে হলেও বর্তমানে বাংলাতেই পর্যাপ্ত মাছ উৎপাদন হচ্ছে, এমনকি ইলিশ চাষেও অগ্রগতি হয়েছে।

Advertisement

এছাড়া কেন্দ্রীয় প্রকল্প নিয়েও সরব হন মোদি। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল সরকার ‘পিএম মৎস্য সম্পদ যোজনা’র সুবিধা সাধারণ মৎস্যজীবীদের কাছে পৌঁছতে দিচ্ছে না। যদিও বিজেপি ক্ষমতায় এলে সেই সব প্রকল্পের পূর্ণ সুবিধা দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

রাজনৈতিক মহলের মতে, পূর্ব মেদিনীপুরের মতো মৎস্যনির্ভর অঞ্চলে দাঁড়িয়ে মাছের প্রসঙ্গ তোলা আসলে ভোটারদের মন জয়ের কৌশল। ‘মাছে-ভাতে বাঙালি’ ভাবনাকে সামনে রেখেই দুই শিবিরের এই পাল্টাপাল্টি অবস্থান আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

Advertisement