• facebook
  • twitter
Tuesday, 7 April, 2026

পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর কলকাতায় হামলার হুঁশিয়ারি, কেন্দ্র চুপ কেন? নদিয়া থেকে মোদী- শাহকে তোপ মমতার, তদন্তের দাবি

সরাসরি প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে তিনি বলেন, 'পাকিস্তান কলকাতাকে আক্রমণের কথা বলছে আর প্রধানমন্ত্রী চুপ করে রয়েছেন। সীমান্ত রক্ষা করতে না পারলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরও পদত্যাগ করা উচিত'

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর কলকাতায় হামলার হুঁশিয়ারি নিয়ে কেন্দ্রের নীরবতা ঘিরে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। সোমবার নদিয়ার নাকাশিপাড়ার সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-কে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘পাকিস্তানের মন্ত্রী কলকাতাকে নিশানা করার কথা বলেন কী করে? কেন কেন্দ্র চুপ?’ উল্লেখ্য, পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ সম্প্রতি দাবি করেছিলেন, প্রয়োজনে কলকাতা পর্যন্ত হামলা চালাতে পারে ইসলামাবাদ। সেই মন্তব্যকেই হাতিয়ার করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হন।
সভা মঞ্চ থেকে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কেন বললেন না যে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে? জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে আমরা সবসময় কেন্দ্রের পাশে থাকি। কিন্তু কলকাতাকে আক্রমণের কথা বলা হলে তা মেনে নেওয়া যায় না।’ এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-কেও আক্রমণ করেন তিনি। মমতার দাবি, এই ঘটনায় অবিলম্বে তদন্ত হওয়া উচিত এবং কারা এ ধরনের মন্তব্য করতে প্ররোচনা দিয়েছে তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
একইসঙ্গে, এক বছর আগের পহেলগামের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন, ভোটের আগে এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা হচ্ছে। তাঁর প্রশ্ন, ‘আরও একটি ঘটনার ব্লুপ্রিন্ট তৈরি হচ্ছে না তো?’ এখানেই থামেননি তৃণমূল সুপ্রিমো। সরাসরি প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান কলকাতাকে আক্রমণের কথা বলছে আর প্রধানমন্ত্রী চুপ করে রয়েছেন। সীমান্ত রক্ষা করতে না পারলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরও পদত্যাগ করা উচিত।’
অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও বিজেপিকে আক্রমণ করেন তিনি। তাঁর দাবি, সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব কেন্দ্রের হাতে, সেই জায়গায় ব্যর্থতার দায় এড়ানো যায় না। এছাড়াও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির ভূমিকা নিয়েও কটাক্ষ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, ভোট এলেই ইডি ও সিবিআইকে ব্যবহার করে বিরোধী দলকে চাপে ফেলার চেষ্টা করা হয়। নির্বাচনের মুখে এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে।

Advertisement

Advertisement