• facebook
  • twitter
Friday, 27 March, 2026

লখনউ সুপার জায়ান্টসের এবারে পাখির চোখ চ্যাম্পিয়ন হওয়া

দলের অধিনায়ক ঋষভ পন্থের উপরই আস্থা

প্রতীকী চিত্র

আইপিএল ক্রিকেটে লখনউ সুপার জায়ান্টসের কর্ণধার সঞ্জীব গোয়েঙ্কা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এবারও দলের অধিনায়ক ঋষভ পন্থই থাকছেন। অর্থাৎ অধিনায়কের ব্যাটন নিয়ে মাঠে নামতে চলেছেন ঋষভ পন্থ। গত বছর লখনউ দলের খারাপ পারফরম্যান্স নিয়ে অনেকেই ঋষভ পন্থের সমালোচনা করেছেন। কিন্তু এই সমালোচনাকে সেইভাবে গুরুত্ব দেননি তাঁদের কর্ণধার সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। সেই কারণেই ঋষভ পন্থের উপরেই আস্থা রেখেছেন তিনি।

পন্থকে অধিনায়ক পদ থেকে সরানো হতে পারে— এমন গুঞ্জন ঘিরে যখন চর্চা তুঙ্গে, তখন গোয়েঙ্কা তা হেসেই উড়িয়ে দেন। তিনি পরিষ্কার করে দেন, দলের ভিতরে এ ধরনের কোনও আলোচনা হয়নি এবং পন্থের নেতৃত্বেই লখনউ সুপার জায়ান্টস ২০২৬ সালের আইপিএল খেলতে নামবে। তাঁর মতে, পন্থ শুধু একজন ক্রিকেটার নন, বরং দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা, যাঁর চরিত্র, লড়াই করার মানসিকতা এবং দায়িত্ববোধ দলের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান।

Advertisement

গোয়েঙ্কা আরও ইঙ্গিত দেন, একটি খারাপ মরশুমের জন্য কোনও ক্রিকেটারের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলা উচিত নয়। দলের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় পন্থ অন্যতম প্রধান স্তম্ভ এবং তাঁর নেতৃত্বেই দল ভবিষ্যতে সাফল্যের পথে এগোবে— এমনটাই বিশ্বাস ফ্র্যাঞ্চাইজ়ির।

Advertisement

শিল্পপতি গোয়েঙ্কা জানিয়েছেন, ‘মরশুম শুরুর আগে পন্থের অধিনায়কত্ব নিয়ে অনেক জল্পনা চলছিল, যা শুনে আমি নিজে বেশ কিছুক্ষণ শুধু হেসেছি। আমরা এক সঙ্গে যথেষ্ট সময় কাটিয়েছি, তাই ওর চরিত্র আর প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে আমার ভালোই জানা আছে। ভালো মরশুম কাটাও, ক্যাপটেন!’ প্রসঙ্গত, এই মরশুমে লখনউ তাদের অভিযান শুরু করবে পন্থের প্রাক্তন দল দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে।

২০২৫ আইপিএল-এর আগে দিল্লি থেকে লখনউয়ে যোগ দেন পন্থ। কিন্তু ব্যাট হাতে ও অধিনায়ক হিসেবে তিনি সে ভাবে সফল হতে পারেননি। লখনউ সুপার জায়ান্টস ১৪ ম্যাচে ৮টি হেরে পয়েন্ট তালিকায় ৭ নম্বরে শেষ করে। পন্থ নিজে ১৩ ইনিংসে ২৬৯ রান করেন, গড় ছিল ২৪.৪৫ এবং স্ট্রাইক রেট ১৩৩.১৬। একটি শতরান রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে ও মাত্র একটি অর্ধশতরান করেছিলেন।

সঞ্জীব গোয়েঙ্কা আরও বলেছেন, ‘আমাদের দলের আসল পরিচয় এখনও তৈরি হচ্ছে। যে কোনও স্পোর্টস টিমের ক্ষেত্রেই ট্রফি না জিতলে সেই সম্মান পাওয়া যায় না। আমরা দু’বার প্লে-অফে গিয়েছি, কিন্তু সেটা যথেষ্ট নয়। আমাদের প্রথম লক্ষ্য ট্রফি জেতা।’

দলের ইতিবাচক দিকও তুলে ধরেন লখনউয়ের কর্ণধার। তিনি আরও যোগ করেন, ‘২০২৫-এ আমাদের বেশির ভাগ প্রধান বোলারের চোট ছিল। তবুও প্রথম ৬ ম্যাচের মধ্যে ৪টি জিতেছিলাম। কিছু সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল— এইডেন মার্করাম এবং মিচেল মার্শকে ওপেন করানো হয়েছিল, যা তাদের জন্য সেরা মরশুম হয়ে দাঁড়ায়।’ গোয়েঙ্কা আরও জানান, নতুন মুখ দিগ্বেশ রাঠি ভালো পারফরম্যান্স করেছেন, তবে শক্তিশালী পেস আক্রমণের অভাব ছিল— যদিও দল তাঁদের কম্বিনেশন নিয়ে সন্তুষ্ট।

Advertisement