ইরানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে এক রিজার্ভ সেনা সদস্যকে গ্রেপ্তার করে মামলা দায়ের করেছে ইজরায়েল পুলিশ। ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে পশ্চিম এশিয়ার রাজনৈতিক মহলে। অভিযুক্ত রাজ কোহেন, বয়স ২৬, জেরুসালেমের বাসিন্দা। তিনি ইজরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে কাজ করতেন। চলতি মাসের শুরুতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানা গিয়েছে।
তদন্তে উঠে এসেছে, কয়েক মাস ধরে তিনি ইরানের গোয়েন্দা আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন। অভিযোগ, নিজের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় যে সংবেদনশীল তথ্য তাঁর হাতে আসে, তা তিনি ইরানের কাছে পাঠাতেন। এর বদলে অর্থও পেয়েছেন বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার।
Advertisement
সরকারি সূত্রের বক্তব্য, অভিযুক্ত জানতেন যে তিনি ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং সেই অনুযায়ী কাজও করছিলেন। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
Advertisement
অন্যদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইরান-ইজরায়েল সম্পর্কের উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এর আগেও গুপ্তচরবৃত্তি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ সামনে এসেছে।
চলতি বছরের শুরুতেই ইরান এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে, যিনি ইজরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ-এর হয়ে কাজ করার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হন। ওই ব্যক্তি আলি আরদেস্তানি নামে পরিচিত ছিলেন বলে জানা যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পশ্চিম এশিয়ায় সাম্প্রতিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই ধরনের গুপ্তচরবৃত্তির ঘটনা আরও বাড়তে পারে। ফলে নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সম্পর্ক—দু’দিকেই চাপ বাড়ছে।
সব মিলিয়ে, এই গ্রেপ্তারি আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন করে উত্তেজনার সঞ্চার করেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।
Advertisement



