প্রত্যাশা মতোই ভবানীপুর কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বিকেলে কালীঘাটে নিজের বাড়িতে দলের ২৯১ কেন্দ্রে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন মমতা এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ভবানীপুরে মমতার নাম ঘোষণা করেন অভিষেকই। প্রার্থী তালিকা ঘোষণার সময়েই তৃণমূল নেত্রী জানিয়ে দেন, ২০২৬-এর ভোটে তাঁর দল ২২৬-এর বেশি আসন পাবে। ভবানীপুরে নিজের জয় নিয়েও ভরপুর আত্মবিশ্বাসী তিনি। নেত্রী সাফ জানিয়েছেন, এবার অনেক ভোটে জিতবেন।
বাংলার হাই ভোল্টেজ কেন্দ্রগুলির মধ্যে এবার ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রাম অন্যতম। সোমবার বিজেপি এই দুই কেন্দ্র থেকেই শুভেন্দু অধিকারীকে প্রার্থী করেছে। তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভবানীপুর কেন্দ্রে তাঁর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে নেমে পড়লেন তৃণমূল নেত্রী। মঙ্গলবার দলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার সময়ে ভোটের সুরও বেঁধে দেন তিনি। মমতার দাবি, ২০২৬-এর ভোটে তাঁরা ২২৬-এর বেশি আসন পাবেন। ভবানীপুরে তিনি অনেক বেশি ভোটে জিতবেন। গতবারের তুলনায় তাঁর জয়ের ব্যবধান এবার আরও বেশি হবে বলে ১০০ শতাংশ আত্মবিশ্বাসী তিনি।
Advertisement
২০২১-এর বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রাম থেকে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে অতি অল্প ব্যবধানে হেরেছিলেন মমতা। যদিও মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন তিনি। ২১-এর বিধানসভা ভোটে ভবানীপুর থেকে জয়ী হয়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু মমতাকে বিধানসভায় জায়গা করে দিতে সরে দাঁড়ান শোভনদেব। ফলে উপনির্বাচন হয় ভবানীপুরে। উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়েলকে উড়িয়ে দিয়ে প্রায় ৫৯ হাজার ভোটে জিতেছিলেন মমতা।
Advertisement
কিন্তু তৃণমূল নেত্রী নিশ্চিত, এবার তাঁর জয়ের ব্যবধান আরও বাড়বে। উল্লেখ্য, কলকাতা পুরসভার ৬৩, ৭০, ৭১, ৭২, ৭৩, ৭৪, ৭৭ এবং ৮২ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে তৈরি ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র। এই কেন্দ্রে ২০১৬-র বিধানসভা ভোটে তৃণমূল এগিয়ে ছিল। কিন্তু ২০১৯-এর লোকসভা ভোটে এগিয়েছিল বিজেপি। তাই এবার ভবানীপুর কেন্দ্রে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
Advertisement



