• facebook
  • twitter
Monday, 2 March, 2026

হোলির আগে বড় নাশকতার ছক ভেস্তে দিল পুলিশ, পাটনায় গ্রেপ্তার ৮

হোলির আগে পাটনায় বড় নাশকতার ছক ভেস্তে দিয়ে ৮ দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ, উৎসবের আগে জোরদার নিরাপত্তা।

প্রতীকী চিত্র

হোলি উৎসবের আগে বিহারের পাটনায় নাশকতার ছক ভেস্তে দিয়ে বড় সাফল্য পেল পুলিশ। রাজ্যের মানের এলাকার হুলাসি টোলা গ্রামের কাছে একটি বাগান থেকে ৮ জন সন্দেহভাজন দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, উৎসবের আগে এলাকায় অশান্তি তৈরির পরিকল্পনা করছিল এই চক্র।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রবিবার গভীর রাতে অভিযান চালানো হয়। দ্রুত এলাকায় পৌঁছে বাগান ঘিরে ফেলে পুলিশ। এরপর ঘটনাস্থল থেকেই ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে দুটি দেশি আগ্নেয়াস্ত্র, একটি অতিরিক্ত পিস্তল এবং ৮টি তাজা কার্তুজ। এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন দানাপুর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক এ কে ঝা এবং মানের থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক রজনীশ কুমার। তাঁদের নেতৃত্বে বিশেষ দল গঠন করে পরিকল্পিতভাবে অভিযান চালানো হয়।

Advertisement

ধৃতদের মধ্যে মন্তেশ ও বিট্টু নামে দু’জনের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মন্তেশ হুলাসি টোলা গ্রামের বাসিন্দা। ২০২৩ সালে মানের পুরসভার চেয়ারম্যান বিদ্যাধর বিনোদের বাড়িতে গুলিচালনার ঘটনায় তাকে জেলে যেতে হয়েছিল। অন্যদিকে, বিট্টুর বিরুদ্ধেও বিভিন্ন থানায় গুরুতর অপরাধের মামলা রয়েছে। পুলিশ এখন ধৃতদের বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করছে। তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, ঠিক কোন জায়গায় এবং কী ধরনের অপরাধ ঘটানোর পরিকল্পনা ছিল। পাশাপাশি ধৃতদের সঙ্গে অন্য কোনও অপরাধচক্রের যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement

পাটনা পুলিশের পশ্চিম বিভাগের পুলিশ সুপার ভানু প্রতাপ জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে। উৎসবের আগে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

হোলি উপলক্ষে রাজ্যজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিহারের পুলিশ প্রধান বিনয় কুমার সমস্ত জেলার পুলিশ আধিকারিকদের সতর্ক থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বিশেষ করে পাটনায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বাহিনী রাখা হয়েছে, যাতে উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।

পুলিশের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘উৎসবের সময় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সে জন্য আগাম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

Advertisement