ভারতীয় জনতা পার্টির ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার দপ্তরে দলীয় নেতাকে মারধরের অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, দলের চারটি সাংগঠনিক জেলার আহ্বায়ক সন্দীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলীয় কর্মীরাই মারধর করেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্যারাকপুরের জেলা দপ্তরে বৈঠকের সময় হঠাৎই উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, বচসা থেকে পরিস্থিতি দ্রুত হাতাহাতিতে গড়ায় এবং সন্দীপ বন্দ্যোপাধ্যায় মারধরের শিকার হন। উপস্থিত অন্য নেতারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। পরে তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।
Advertisement
এই ঘটনার পর বিজেপির অন্দরে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের প্রশ্ন আরও প্রকট হয়ে উঠেছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে। রাজ্য বিজেপির নেতৃত্বের মধ্যে মতবিরোধ নিয়ে আগেও আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার, দিলীপ ঘোষ এবং শমীক ভট্টাচার্য–সহ বিভিন্ন নেতার অনুগামীদের মধ্যে মতপার্থক্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা বেড়েছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির একাংশ এই ঘটনাকে সামনে এনে বিজেপির সাংগঠনিক ঐক্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তাঁদের দাবি, দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব এখন প্রকাশ্যে চলে এসেছে। যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিষয়ে বিস্তারিত কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও জানা যায়নি।
Advertisement
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ধরনের ঘটনা রাজ্যে বিজেপির সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করতে পারে। তবে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব এখনও পর্যন্ত এই ঘটনার বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি। ঘটনার পর দলীয় শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক ঐক্য বজায় রাখা নিয়ে বিজেপির অন্দরে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে খবর।
Advertisement



