• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 13 June, 2026

এআই পরিষেবা ও ভারত প্রসঙ্গে পিটার নাভারোর মন্তব্যে বিতর্ক

এক সাক্ষাৎকারে প্রশ্ন তুলেছেন, কেন আমেরিকার সম্পদ ব্যবহার করে বিদেশি দেশ—বিশেষত ভারত ও চিনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে

ফের বিতর্কের কেন্দ্রে হোয়াইট হাউসের বাণিজ্য উপদেষ্টা পিটার নাভারো। ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘনিষ্ঠ নাভারো সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রশ্ন তুলেছেন, কেন আমেরিকার সম্পদ ব্যবহার করে বিদেশি দেশ—বিশেষত ভারত ও চিনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে। হোয়াইট হাউসের চিফ স্ট্র্যাটেজিস্ট তথা মুখ্য কৌশলী স্টিভ ব্যাননকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নাভারো বলেন, চ্যাটজিপিটির মতো এআই প্ল্যাটফর্মগুলি আমেরিকার মাটি থেকে পরিচালিত হয় এবং আমেরিকার বিদ্যুৎ ও পরিকাঠামো ব্যবহার করে। অথচ ব্যবহার ভারত-সহ অন্যান্য দেশের বিপুল সংখ্যক মানুষ এটি ব্যবহার করছে। তাঁর মন্তব্য, ‘কেন আমেরিকার নাগরিক ভারতের জন্য এআই-এর খরচ বহন করবে ? তাঁর এই মন্তব্য দ্রুত ভাইরাল হয়।

এছাড়াও নাভারো অভিযোগ করেন, বিদেশি সংস্থাগুলি আমেরিকায় কৃষিজমি প্রকৃত মূল্যের তুলনায় অনেক বেশি দামে কিনছে। তাঁর দাবি, এই প্রবণতা ভবিষ্যতে খাদ্যে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।নাভারোর এই মন্তব্য এমন এক সময়ে ভাইরাল হয়েছে যখন ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্যিক টানাপোড়েন চলছে। রাশিয়া থেকে তেল আমদানির কারণে ভারতের উপর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ৫০ শতাংশ শুল্ক, পাশাপাশি দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে যে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে, সেই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা ওয়াকিবহাল মহলের।

এর আগেও একাধিকবার ভারতকে লক্ষ্য করে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন নাভারো। তিনি ভারতকে ‘মহারাজা অব ট্যারিফস’ বলে কটাক্ষ করেছেন, রাশিয়ার তেল আমদানিকে ‘রক্তমাখা অর্থ’ আখ্যা দিয়েছেন এবং ইউক্রেন যুদ্ধকে ‘মোদির যুদ্ধ’ বলেও মন্তব্য করেছিলেন। এমনকি একবার ‘ব্রাহ্মণ’ উপমা ব্যবহার করে ভারতীয় নেতৃত্বকে আক্রমণ করায় তার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল দিল্লি। এআই নিয়ে নাভারোর এই বক্তব্য ভাইরাল হওয়ার পর শোরগোল পড়ে যায়। আশঙ্কা দেখা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন এবার ভারতে এআই পরিষেবা দেওয়া নিয়ে নতুন ফতোয়া চাপাতে পারে।