খেলোয়াড়রা অনেক সময় বিপদে পড়ে যান ডোপিং পরীক্ষায়। আসলে ডোপিং করে খেলোয়াড়রা নিজেদের শক্তি বাড়িয়ে নিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন এবং পদকও পেয়ে যান। সেই পদক শেষ পর্যন্ত হাতছাড়া করতে হয় ডোপিং পরীক্ষায় ওই প্রতিযোগী ধরা পড়লে। স্বাভাবিকভাবে তখন লজ্জার সীমা থাকে না। সেই কারণে ডোপিং নিয়ে কড়া সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ডোপিং করলে কেউই ছাড় পাচ্ছেন না। তিনি যতই তারকা খেলোয়াড় হোক না কেন তাঁকে শাস্তি পেতেই হবে।
পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হল ইনচিয়ন এশিয়ান গেমসের পদকজয়ী হ্যামার থ্রোয়ার মঞ্জু বালাকে। তিনি এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন। তবে ২০২৪ সালে শুরুতে তিনি নিষিদ্ধ ওষুধ সেবন করেছিলেন। সেই কারণে ন্যাশনাল অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সির অধীনে থাকা অ্যান্টি ডোপিং ডিসিপ্লিনারি প্যানেল তাঁর শাস্তি ঘোষণা করল। তাছাড়াও সাসপেনশনের কবলে পড়েছেন একাধিক অ্যাথলিট।
Advertisement
২০১৪ সালের এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জ পদক জয়ী মঞ্জু। তাঁর শরীরে ডাইহাইড্রোক্লোরো মিথাইল টেস্টোস্টেরন (একটি স্টেরয়েড) এবং -এর উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে। চলতি বছর সেপ্টেম্বরে প্রথমবার তাঁর টেস্টের রিপোর্ট সামনে আনে নাডা। জুলাই মাসে তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। এডিডিপি ১৫ অক্টোবর তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়েছিল। অবশেষে তাঁর শাস্তি ঘোষণা করা হল। মঞ্জুর সাসপেনশন লাগু হবে ২০২৪ সালের ১০ জুলাই থেকে।
Advertisement
অর্থাৎ, ইতিমধ্যেই সাসপেনশনের দেড় বছর অতিক্রম করে ফেলেছেন তিনি। মঞ্জুর সঙ্গে আরেক অ্যাথলিট মোহন সাইনিকেও ১৪ অক্টোবর, ২০২৫ থেকে চার বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাছাড়াও তিন বডি বিল্ডার গোপাল কৃষ্ণণ, অমিত কুমার এবং রাজবর্ধন সঞ্জয় ভাস্করকে ছ’বছরের জন্য ব্যান করা হয়েছে। অন্য এক বডি বিল্ডার শুভম মহারা ব্যান হয়েছেন চার বছরের জন্য।
বক্সার সুমিত দু’বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন। ক্যানোয়িস্ট নীতিন বর্মা ও বাস্কেটবল খেলোয়াড় শিবেন্দ্র পাণ্ডেকে যথাক্রমে চার ও ছ’বছরের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে। অর্থাৎ, ডোপিং নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নিল ন্যাশনাল অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সি। ডোপিং করার কারণে কেউই
ছাড় পেলেন না।
Advertisement



