জানা গিয়েছে, শাহিন শাহিদকেই দেওয়া হয়েছিল সেই শাখার দায়িত্ব। প্রসঙ্গত, সাদিয়ার স্বামী ইউসুফ আজদার ছিল কান্দাহার বিমান অপহরণের মূল হোতা। অপারেশন সিঁদুরে মৃত্যু হয় তাঁর। অনুমান করা হচ্ছে, আপাতত জম্মু ও কাশ্মীর, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানার মতো রাজ্যগুলিতে এই পাক মহিলা ব্রিগেড নিজেদের সংগঠনের কাজ করতে শুরু করেছে। তবে তাঁদের কার্যক্রম সেভাবে শুরুর আগেই এই মহিলা জঙ্গিদের উপড়ে ফেলতে চাইছে দিল্লি।
সূত্রে খবর, লখনউয়ের লালবাগের বাসিন্দা ছিল শাহিন। তাঁর গাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি অ্যাসল্ট রাইফেল। আল-ফালা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি করতেন ওই মহিলা চিকিৎসক। এর আগে ফরিদাবাদ থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছেন মুজাম্মিল গনি ওরফে মুসাইব নামে সন্দেহভাজন এক জঙ্গি।




