আমেরিকা-তাইওয়ান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত মার্কিন সরকারের। তাইওয়ানকে ১১১০ কোটি ডলারের (প্রায় ১ লক্ষ ২৬৩ কোটি টাকা) অস্ত্র সরবরাহ করার সিদ্ধান্ত নিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরকার। চিনের সঙ্গে সংঘাতের আবহে মার্কিন সরকারের এই সিদ্ধান্তকে বৃহত্তম সামরিক সহযোগিতা হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞ মহল।
বুধবার তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, আমেরিকা থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র কিনতে চলেছি আমরা। একটি বিবৃতি প্রকাশ করে তাইওয়ান সরকার জানিয়েছে, প্রস্তাবিত প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুসারে, আট ধরনের সমরাস্ত্র এবং সামরিক সরঞ্জাম— এম-১৪২ ‘হাই মোবিলিটি আর্টিলারি রকেট সিস্টেম’ বা হিমার্স, হাউইটজার কামান, ট্যাংক-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ‘জ্যাভলিন’, আত্মঘাতী ড্রোন এবং বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জামের যন্ত্রাংশ আমেরিকা থেকে আসতে চলেছে। আরও বলা হয়েছে, ‘আত্মরক্ষার ক্ষমতা বজায় রাখতে এবং দ্রুত প্রত্যাঘাতের পরিকাঠামো গড়ে তুলতে তাইওয়ানকে সহায়তা করছে আমেরিকা।’
অন্যদিকে, বর্তমানে চিন এবং তাইওয়ান সরকারের মধ্যে যে উত্তেজনাময় পরিস্থিতি চলছে তাতে ট্রাম্প সরকারের এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অস্ত্র সরবরাহের এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই কড়া প্রতিক্রিয়া বেজিংয়ের।
বৃহস্পতিবার শি জিনপিং সরকারের বিদেশ দফতরের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেন, ‘তাইওয়ানের স্বাধীনতাকে সমর্থন করার জন্য আমেরিকা বলপ্রয়োগ করলে আমরা চুপ করে থাকবো না। তাইওয়ানকে ব্যবহার করে চিনকে নিয়ন্ত্রণ করার কৌশল একেবারেই সফল হবে না।’