জোড়া ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত ভেনেজুয়েলায় মৃতের সংখ্যা পেরোল ৪০০০, নিখোঁজ বহু

Photo: File Photo

ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পের পর অনেকদিন পেরিয়ে গিয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেখানে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ৪০০০-এর গণ্ডি পেরোল। ভেনেজুয়েলার প্রশাসন সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত সেখানে ভূমিকম্পের পরে ৪,১১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ১৬,৭৪০ জন। ভেনেজুয়েলায় এখনও পর্যন্ত উদ্ধারকাজ চলছে।

সে দেশের প্রশাসন সূত্রের খবর, ভেনেজুয়েলায় এখনও পর্যন্ত অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। সেক্ষেত্রে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। এখনও পর্যন্ত ভেনেজুয়েলায় প্রায় ১৮ হাজার মানুষ ঘরছাড়া অবস্থায় রয়েছেন।

উল্লেখ্য,  ভেনেজ়ুয়েলায় গত ২৪ জুন রাজধানী কারাকাস ও সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় পরপর ভূমিকম্প আঘাত হানে। ৭.২ এবং ৭.৫ মাত্রার দু’টি শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল ভেনেজুয়েলা। পরপর দু’বার কম্পনের পরেও থামেনি। জোড়া ভূমিকম্পের পরে অন্তত ২০ বার কেঁপেছে রাজধানী কারাকাস ও আশেপাশের এলাকা। একের পর এক আফটারশকের কারণে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলিতে ত্রাণ ও উদ্ধারকাজ ব্যাহত হয়।


ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উপকূলীয় রাজ্য লা গুয়াইরা। কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, ভূমিকম্পের পরে ওই এলাকাকে দুযোর্গপূর্ণ এলাকা বলে ঘোষণা করা হয়েছে। আটটি হাসপাতাল ও ভেনেজুয়েলার রেড ক্রসের সদর দপ্তর-সহ ৩৪৬টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সাইমন বলিভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটিও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভূমিকম্পে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের একাধিক বাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল ক্যারিবিয়ান সাগর উপকূলবর্তী মরন অঞ্চল। যা কারাকাস থেকে প্রায় ১৬৮ কিলোমিটার দূরে। দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল ওই এলাকার দক্ষিণ-পশ্চিমে। প্রথম কম্পনের উৎপত্তি হয়েছিল ভূগর্ভের ২২ কিলোমিটার গভীরে এবং দ্বিতীয়টির ১০ কিলোমিটার গভীরে।