‘যেমন কর্ম তেমন ফল’, মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি তেহরানের

Image: SNS

হরমুজ প্রণালীর কাছে ভারতীয় নাবিকদের থাকা একটি পণ্যবাহী জাহাজে হামলার ঘটনার পর পশ্চিম এশিযার পরিস্থিত আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। রবিবার গভীর রাত থেকে ইরানের উপর হামলা চালাচ্ছে আমেরিকা। একের পর এক শহরে গোলাবর্ষণের পাশাপাশি হরমুজ প্রণালী থেকে দূরে থাকা একাধিক সামরিক ঘাঁটিকেও নিশানা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এর পাল্টা হিসেবে তেহরান একাধিক দেশে হামলা শুরু করেছে এবং সেই সঙ্গে পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকার মিত্র দেশগুলিকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছে।

<blockquote class="twitter-tweet"><p lang="zxx" dir="ltr"><a href="https://t.co/V84pTWxDwH">https://t.co/V84pTWxDwH</a></p>&mdash; U.S. Central Command (@CENTCOM) <a href="https://x.com/CENTCOM/status/2076495252454584794?ref_src=twsrc%5Etfw">July 13, 2026</a></blockquote> <script async src="https://platform.x.com/widgets.js" charset="utf-8"></script>

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি, স্থানীয় সময় রাত আড়াইটে থেকে ইরানে আবার হামলা শুরু হয়েছে। তাদের বক্তব্য, হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলা বাণিজ্যিক ও অসামরিক জাহাজগুলির উপর ইরান যাতে হামলা চালাতে না পারে সেই কারণেই এই হামলা।এর জবাবে ইরানের বিদেশ মন্ত্রক একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালাতে আমেরিকা যে দেশগুলির ভূখণ্ড ব্যবহার করবে, সেই দেশগুলিকেও ইরান লক্ষ্য করবে। আত্মরক্ষার স্বার্থে প্রয়োজনীয় সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে তেহরান। একই সঙ্গে রাষ্ট্রসঙ্ঘেও এ বিষয়ে বার্তা পাঠানো হয়েছে।


<blockquote class=”twitter-tweet”><p lang=”en” dir=”ltr”>I am deeply concerned by the serious escalation &amp; renewed military confrontations in the Gulf, including the Iranian attacks on ships in the Strait of Hormuz, the attacks by the US on Iran, and the attacks by Iran on targets in the neighboring countries.<br><br>These attacks must all…</p>&mdash; António Guterres (@antonioguterres) <a href=”https://x.com/antonioguterres/status/2076350448764645405?ref_src=twsrc%5Etfw”>July 12, 2026</a></blockquote> <script async src=”https://platform.x.com/widgets.js” charset=”utf-8″></script>

ইরানের বিদেশ মন্ত্রক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য কোনও দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করা হলে সেই দেশকে আগ্রাসনের উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হবে। আত্মরক্ষার প্রয়োজনে তাদেরও নিশানা করা হবে। পাশাপাশি মার্কিন সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় রাষ্ট্রসঙ্ঘের সচিবালয়েরও সমালোচনা করেছে তেহরান। তাদের অভিযোগ, আমেরিকার হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও রাষ্ট্রসঙ্ঘের সনদের পরিপন্থী এবং এর ফলে গোটা অঞ্চলের শান্তি ও স্থিলিশীলতা নষ্ট হচ্ছে।

 

মার্কিন হামলার পাল্টা হিসেবে ইতিমধ্যেই কাতার, বাহরিন এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে ইরান হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ। যে দেশগুলিতে গত এপ্রিল বা মে মাসের পর থেকে হামলা বন্ধ ছিল, সেখানে ফের যুদ্ধের সাইরেন বাজতে শুরু করেছে। ওই দেশগুলি তাদের দেশেরর নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার এবং অযথা আতঙ্কিত না হওয়ার আর্জি জানিয়েছেন।