বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে নির্ণায়ক জয়ের পর দেশবাসীর উদ্দেশে ঐক্যের বার্তা দিলেন তারেক রহমান। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, দেশের ভবিষ্যৎ গড়তে রাজনৈতিক বিভাজন ভুলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর রাজধানী ঢাকায় দলীয় নেতা ও কর্মীদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, ‘এই জয় শুধু একটি দলের নয়, এটি বাংলাদেশের মানুষের জয়। আমরা সবাইকে নিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ, শক্তিশালী এবং উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।’
তার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে দেশের রাজনৈতিক মানচিত্রে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে। দীর্ঘ সময় পরে জনগণের এই সমর্থনকে তিনি দায়িত্ব ও বিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘মানুষ আমাদের উপর যে আস্থা রেখেছেন, তা রক্ষা করা আমাদের প্রধান কর্তব্য। দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও সম্মান নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
ভাষণে তিনি বিশেষভাবে যুবসমাজ, শ্রমজীবী মানুষ এবং সাধারণ নাগরিকদের অবদানের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করতে সকল শ্রেণির মানুষের সহযোগিতা অপরিহার্য।
তারেক রহমান আরও জানান, প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়, বরং উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা এবং জনগণের কল্যাণই হবে নতুন সরকারের প্রধান লক্ষ্য। তিনি বলেন, ‘আমরা বিভাজনের রাজনীতি নয়, ঐক্যের রাজনীতি করতে চাই। দেশের প্রতিটি মানুষ যেন নিরাপদ ও সম্মানজনক জীবন পায়, সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করব।’
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বার্তা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক সংঘাত ও বিভাজনের মধ্যে থাকা বাংলাদেশ এখন একটি নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের দিকে এগোচ্ছে।
এই ঐতিহাসিক জয়ের মাধ্যমে বিএনপি নতুন করে দেশের শাসনভার গ্রহণের পথে এগোচ্ছে, এবং তারেক রহমানের ঐক্যের আহ্বান ভবিষ্যতের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।